পরিচ্ছেদঃ
সেহরী খাওয়ার ফযীলত যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম
হাদিস সম্ভার : ১০৬০
হাদিস সম্ভারহাদিস নম্বর ১০৬০
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مُؤَذِّنَانِ : بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ قَالَ : وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَهُمَا إِلاَّ أَنْ يَنْزِلَ هَذَا وَيَرْقَى هَذَا متفقٌ عَلَيْهِ
ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দুজন মুআয্যিন ছিলেন; বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতূম। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “বিলাল যখন রাতে আযান দেবে, তখন তোমরা পানাহার (সেহরী ভক্ষণ) কর; যতক্ষণ পর্যন্ত না ইবনে উম্মে মাকতূম আযান দেবে।” (ইবনে উমার) বলেন, ‘আর তাঁদের উভয়ের আযানের মাঝে এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, উনি নামতেন, আর ইনি চড়তেন।’ (বুখারী ১৯১৮, মুসলিম ২৫৯০)
* (উলামাগণ বলেন, ‘ইনি নামতেন এবং উনি চড়তেন’-এর অর্থ হল, বিলাল (রাঃ) ফজরের পূর্বে (সেহরীর) আযান দিতেন, অতঃপর দুআ ইত্যাদির মাধ্যমে অপেক্ষা করে ফজর উদয় হওয়া লক্ষ্য করতেন। সুতরাং তিনি ফজর উদয় নিকটবর্তী লক্ষ্য করলে তিনি নেমে (অন্ধ সাহাবী) ইবনে উম্মে মাকতূমকে খবর দিতেন। তিনি ওযূ ইত্যাদি করে প্রস্তুতি নিতেন। অতঃপর (নির্দিষ্ট উঁচু জায়গায়) চড়ে আযান দিতে শুরু করতেন।)