২/১৭৯. অধ্যায়ঃ
বসে সালাত আদায় করা
বসে কিরাআত, দাঁড়িয়ে শেষ পাঠ: রাতের সালাতের পদ্ধতি
সুনানে আবূ দাউদ : ৯৫৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯৫৪
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، وَأَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي جَالِسًا فَيَقْرَأُ وَهُوَ جَالِسٌ وَإِذَا بَقِيَ مِنْ قِرَاءَتِهِ قَدْرُ مَا يَكُونُ ثَلاَثِينَ أَوْ أَرْبَعِينَ آيَةً قَامَ فَقَرَأَهَا وَهُوَ قَائِمٌ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ سَجَدَ ثُمَّ يَفْعَلُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ مِثْلَ ذَلِكَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ عَلْقَمَةُ بْنُ وَقَّاصٍ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বসে সালাত আদায়কালে কিরাআতও বসে পড়তেন। যখন কিরাআতের ত্রিশ বা চল্লিশ আয়াত বাকী থাকতো তখন উঠে দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতেন, এরপর রুকু ও সিজদা করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতেও অনুরূপ করতেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি আলকামা ইবন ওয়াক্কাস (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) হতে নবী (ﷺ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বসে সালাত আদায়ের একটি বিস্তারিত ধাপ এসেছে। তিনি বসে সালাত আদায় করলে কিরাআতও বসে পড়তেন। যখন কিরাআতের ত্রিশ বা চল্লিশ আয়াত বাকি থাকত, তখন তিনি দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতেন। এরপর রুকু ও সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাকাতেও একইভাবে করতেন। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বসে কিরাআত, দাঁড়িয়ে কিরাআত শেষ করা, রাতের সালাত এবং রুকু-সিজদার ধারাবাহিকতা। হাদিসে ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরও বলেছেন, আলকামা ইবনু ওয়াক্কাস (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই সীমার মধ্যেই থাকা উচিত। এতে পাঠক বুঝতে পারেন, বসে কিরাআত করলেও দাঁড়িয়ে শেষ অংশ পড়া এবং তারপর রুকু-সিজদা করার একটি নির্দিষ্ট আমল বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বসে সালাত আদায়ের সময় নবী (صلى الله عليه وسلم) বসে কিরাআত করতেন।
- শেষের ত্রিশ বা চল্লিশ আয়াত দাঁড়িয়ে পাঠ করতেন।
- এরপর রুকু ও সিজদা করতেন, দ্বিতীয় রাকাতেও অনুরূপ করতেন।
- একই বিষয় আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে।
