২/১৭২. অধ্যায়ঃ
ইমামের পিছনে আমীন বলা প্রসঙ্গে
ইমামের পর আমীন বলা: ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিলের ফজিলত
সুনানে আবূ দাউদ : ৯৩৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯৩৫
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا قَالَ الإِمَامُ { غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ } فَقُولُوا " آمِينَ " . فَإِنَّهُ مَنْ وَافَقَ قَوْلُهُ قَوْلَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, সালাতে ইমাম যখন পড়বে “গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন” তখন তোমরা “আমীন” বলবে। কেননা যার কথা (আমীন বলা) ফেরেশতার কথার সাথে উচ্চারিত হবে তার পূর্বেকার গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে।
সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতে ইমামের পরে আমীন বলার নির্দেশ ও ফজিলত এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ইমাম যখন “গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন” পড়বে, তখন তোমরা “আমীন” বলবে। এরপর বলা হয়েছে, যার আমীন বলা ফেরেশতাদের কথার সঙ্গে মিলে যাবে, তার পূর্বেকার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। তাই ইমামের পর আমীন, ফেরেশতাদের আমীন, এবং আমীন বলার ফজিলত—এসব বিষয় এই হাদিসের মূল কথা। এখানে ফজিলতটি হাদিসের ভাষায় এসেছে, তাই তা বলা যায়। তবে ব্যাখ্যায় মনে রাখা দরকার, মূল নির্দেশ হলো ইমামের কিরাআতের শেষে মুসল্লিদের আমীন বলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম ফাতিহার শেষ অংশ পড়লে মুসল্লিদের আমীন বলতে বলা হয়েছে।
- আমীন বলার সঙ্গে ফেরেশতাদের আমীনের মিলের ফজিলত এসেছে।
- সালাতে ইমাম ও মুক্তাদির অনুসরণের শিক্ষা পাওয়া যায়।
