২/১৫৪. অধ্যায়ঃ
রুকু ও সিজদায় অবস্থানের পরিমাণ সম্পর্কে
রুকু ও সিজদায় স্থিরতা: সালাতে তাসবীহের সময়
সুনানে আবূ দাউদ : ৮৮৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮৮৫
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنِ السَّعْدِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَوْ عَنْ عَمِّهِ، قَالَ رَمَقْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَتِهِ فَكَانَ يَتَمَكَّنُ فِي رُكُوعِهِ وَسُجُودِهِ قَدْرَ مَا يَقُولُ " سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ " . ثَلاَثًا .
সা‘দী (রাঃ) হতে তাঁর পিতা অথবা তাঁর চাচার হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সালাতরত অবস্থায় দেখেছি। তিনি রুকু ও সিজদায় “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’’ তিনবার পড়ার সমপরিমাণ সময় অবস্থান করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সালাতরত অবস্থায় লক্ষ করেছেন। তিনি দেখেছেন, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) রুকু ও সিজদায় এমনভাবে স্থির থাকতেন, যতক্ষণে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ তিনবার পড়া যায়। এখানে রুকু-সিজদার সময়ের একটি সহজ ধারণা পাওয়া যায়। সালাত তাড়াহুড়া করে শেষ করার কাজ নয়; বরং প্রতিটি অবস্থানে শান্তভাবে থাকা দরকার। এই হাদিসে নির্দিষ্টভাবে রুকু ও সিজদায় অবস্থানের সময় বোঝানো হয়েছে। তাই রুকুতে তাসবীহ, সিজদায় তাসবীহ এবং সালাতে স্থিরতা—এই তিনটি বিষয় মূল শিক্ষা হিসেবে আসে। বর্ণনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শরীরের নড়াচড়া শেষ করাই যথেষ্ট নয়; সালাতে ধীরতা ও মনোযোগও জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকু ও সিজদায় তাড়াহুড়া না করে স্থির থাকা উচিত।
- নবীজির সালাতে প্রতিটি অবস্থানের সময়ের ভারসাম্য ছিল।
- তাসবীহ পড়ার মতো সময় নিয়ে রুকু-সিজদা করা শেখা যায়।
- সালাতের বাহ্যিক কাজের সাথে মনোযোগও দরকার।
