২/১৫১. অধ্যায়ঃ
রুকু ও সিজদার দোয়া
তিলাওয়াতে দোয়া: রহমতের আয়াতে চাওয়া, আযাবের আয়াতে আশ্রয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৮৭১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮৭১
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ قُلْتُ لِسُلَيْمَانَ أَدْعُو فِي الصَّلاَةِ إِذَا مَرَرْتُ بِآيَةِ تَخَوُّفٍ فَحَدَّثَنِي عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ مُسْتَوْرِدٍ عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ عَنْ حُذَيْفَةَ أَنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ يَقُولُ فِي رُكُوعِهِ " سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ " . وَفِي سُجُودِهِ " سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى " . وَمَا مَرَّ بِآيَةِ رَحْمَةٍ إِلاَّ وَقَفَ عِنْدَهَا فَسَأَلَ وَلاَ بِآيَةِ عَذَابٍ إِلاَّ وَقَفَ عِنْدَهَا فَتَعَوَّذَ .
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি রুকুতে ‘‘সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম’’ এবং সিজদাতে ‘‘সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা’’ পাঠ করতেন এবং কুরআন তিলাওয়াতকালে তিনি কোনো রহমতের আয়াতে পৌঁছলে সেখানে থেমে রহমতের দোয়া করতেন এবং কোনো আযাবের আয়াত তিলাওয়াতকালে সেখানে থেমে আযাব থেকে পরিত্রাণ চাইতেন।
সহীহঃ মুসলিম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হুযাইফা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সালাত আদায়ের একটি বর্ণনা দেন। নবীজি রুকুতে “সুবহানা রব্বিয়াল আযীম” বলতেন এবং সিজদায় “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা” বলতেন। কুরআন তিলাওয়াতের সময় তিনি কোনো রহমতের আয়াতে পৌঁছলে সেখানে থামতেন এবং আল্লাহর কাছে রহমত চাইতেন। আর কোনো আযাবের আয়াতে পৌঁছলে সেখানে থেমে আযাব থেকে আশ্রয় চাইতেন। এই হাদিসে সালাতের ভেতরে কুরআন তিলাওয়াতকে অনুভব করার শিক্ষা আছে। কুরআনের আয়াত শুধু পড়া নয়; তার অর্থের সঙ্গে হৃদয়কে জাগিয়ে রাখা দরকার। রুকু ও সিজদায় তাসবিহ, আর কিরাআতে দোয়া—সব মিলিয়ে সালাতকে জীবন্ত ইবাদত হিসেবে দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকুতে “সুবহানা রব্বিয়াল আযীম” পাঠের বর্ণনা এসেছে।
- সিজদায় “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা” পাঠের বর্ণনা এসেছে।
- রহমতের আয়াতে আল্লাহর রহমত চাইতে শেখানো হয়েছে।
- আযাবের আয়াতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে শেখানো হয়েছে।
