১/৪২. অধ্যায়ঃ
নাবিজ (খেজুরের শরবত) দিয়ে ওজু করা
পানি না থাকলে নাবীয দিয়ে ফরজ গোসল করা যাবে কি?
সুনানে আবু দাউদ : ৮৭
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৮৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا أَبُو خَلْدَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أَبَا الْعَالِيَةِ عَنْ رَجُلٍ، أَصَابَتْهُ جَنَابَةٌ وَلَيْسَ عِنْدَهُ مَاءٌ وَعِنْدَهُ نَبِيذٌ أَيَغْتَسِلُ بِهِ قَالَ لاَ .
আবু খালদা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবুল আলিয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এক ব্যক্তির গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু তার কাছে পানি নেই, বরং নাবীজ আছে। সে কি নাবীজ দিয়ে গোসল করবে? তিনি বললেন, না।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু খালদা (রহঃ) আবুল আলিয়া (রহঃ)-কে একটি বাস্তব প্রশ্ন করেন। কোনো ব্যক্তির গোসল ফরজ হয়েছে, কিন্তু তার কাছে পানি নেই; তার কাছে নাবীয আছে। সে কি নাবীয দিয়ে গোসল করবে? আবুল আলিয়া (রহঃ) উত্তর দেন, না। এখানে মূল বিষয় হলো ফরজ গোসল, পানি না থাকা এবং নাবীয দিয়ে গোসলের প্রশ্ন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাও সংযত হওয়া উচিত। এতে দেখা যায়, পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে পানি না থাকলে নাবীযকে গোসলের বদলি হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি এই বক্তব্যে দেওয়া হয়নি। ইসলামী স্কলারদের মতে, পানি না থাকলে তায়াম্মুমের বিধান আলাদা আলোচনার বিষয়; তবে এই বর্ণনায় সরাসরি নাবীয দিয়ে গোসলকে না বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফরজ গোসলের জন্য নাবীয ব্যবহারের অনুমতি এই বর্ণনায় নেই।
- পানি না থাকলে পবিত্রতার বিষয়ে আলিমদের কাছে প্রশ্ন করা ভালো।
- সংক্ষিপ্ত জবাবও গুরুত্বপূর্ণ বিধান বুঝতে সাহায্য করে।
- বর্ণনার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
