২/১৩৬. অধ্যায়ঃ
সালাতে কেউ সূরা ফাতিহা পড়া ছেড়ে দিলে
জেহরি সালাতে নীরবে সূরা ফাতিহা পড়ার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৮২৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮২৫
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَهْلٍ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ ابْنِ جَابِرٍ، وَسَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَلاَءِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عُبَادَةَ، نَحْوَ حَدِيثِ الرَّبِيعِ بْنِ سُلَيْمَانَ قَالُوا فَكَانَ مَكْحُولٌ يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَالصُّبْحِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ سِرًّا . قَالَ مَكْحُولٌ اقْرَأْ بِهَا فِيمَا جَهَرَ بِهِ الإِمَامُ إِذَا قَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسَكَتَ سِرًّا فَإِنْ لَمْ يَسْكُتِ اقْرَأْ بِهَا قَبْلَهُ وَمَعَهُ وَبَعْدَهُ لاَ تَتْرُكْهَا عَلَى حَالٍ .
ইবনু জাবির, সাঈদ ইবনু ‘আবদুল আযীয এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু আ‘লা হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা মাকহুল হতে উবাদাহ (রাঃ) সূত্রে আর-রাবী ইবনু সুলাইমানের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তাঁরা বলেন, ইমাম মাকহুল (রহঃ) মাগরিব, ইশা ও ফজর সালাতে (ইমামের পিছনে) প্রত্যেক রাকাতে নিঃশব্দে সূরা ফাতিহা পড়তেন। ইমাম মাকহুল (রহঃ) বলেন, যে সালাতে ইমাম উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়েন এবং থামেন, তুমি তখন সূরা ফাতিহা নীরবে পড়ে নিবে। আর ইমাম যদি বিরতিহীনভাবে কিরাআত করেন, তাহলে তুমি হয় ইমামের আগে, পরে বা ইমামের সাথেই সূরা ফাতিহা পড়ে নিবে এবং কোন অবস্থাতেই তা পাঠ করা ছেড়ে দেবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মাকহুল (রহঃ)-এর আমল ও বক্তব্য এসেছে। তিনি মাগরিব, ইশা ও ফজর সালাতে, ইমামের পিছনে প্রত্যেক রাকাতে নীরবে সূরা ফাতিহা পড়তেন। তিনি বলেন, যে সালাতে ইমাম উচ্চস্বরে কিরাআত পড়েন এবং সূরা ফাতিহার পর থামেন, তখন নীরবে সূরা ফাতিহা পড়বে। আর ইমাম যদি না থামেন, তবে ইমামের আগে, সাথে বা পরে সূরা ফাতিহা পড়ে নেবে এবং কোনো অবস্থাতেই তা ছেড়ে দেবে না। এই হাদিসে মূল আলোচনা হলো জেহরি সালাতে মুক্তাদির ফাতিহা পাঠ। তবে এখানে বক্তব্যটি মাকহুল (রহঃ)-এর ব্যাখ্যা হিসেবে এসেছে, তাই এটিকে ঠিক সেভাবেই বুঝতে হবে। ব্যাখ্যার কেন্দ্র হলো সালাতে ফাতিহা পাঠ, নীরব কিরাআত এবং ইমামের পিছনে আদব বজায় রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জেহরি সালাতে নীরবে সূরা ফাতিহা পড়ার কথা এসেছে।
- ইমাম থামলে সেই সময় পাঠের কথা বলা হয়েছে।
- ইমাম না থামলেও ফাতিহা না ছাড়ার ব্যাখ্যা এসেছে।
- এই অংশ মাকহুল (রহঃ)-এর আমল ও বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত।
