১/৪. অধ্যায়ঃ
কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করা মাকরুহ
নবীজির শেখানো শৌচাচার: কিবলার সম্মান ও শৌচের আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ بِمَنْزِلَةِ الْوَالِدِ أُعَلِّمُكُمْ فَإِذَا أَتَى أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ فَلاَ يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلاَ يَسْتَدْبِرْهَا وَلاَ يَسْتَطِبْ بِيَمِينِهِ " . وَكَانَ يَأْمُرُ بِثَلاَثَةِ أَحْجَارٍ وَيَنْهَى عَنِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের জন্য পিতৃতুল্য, তোমাদেরকে আমি দ্বীন শিক্ষা দিয়ে থাকি। তোমাদের কেউ পায়খানায় গেলে কেবলামুখী হয়ে বসবে না এবং কেবলার দিকে পিঠ দিয়েও বসবে না, আর ডান হাতে শৌচ করবে না। তিনি (ﷺ) তিনটি ঢিলা ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও হাড় দ্বারা শৌচ করতে নিষেধ করতেন।
হাসানঃ এর অংশ বিশেষ মুসলিমে আছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নিজেকে উম্মতের জন্য পিতৃতুল্য শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এরপর তিনি পায়খানায় গেলে কেবলামুখী হয়ে না বসা, কেবলার দিকে পিঠ না দেওয়া এবং ডান হাতে শৌচ না করার শিক্ষা দেন। বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি তিনটি ঢিলা ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও হাড় দিয়ে শৌচ করতে নিষেধ করতেন। এখানে ইসলামে পায়খানার আদব খুব সহজভাবে শেখানো হয়েছে। হাদিসটি দেখায়, দ্বীন শুধু বড় ইবাদতের নিয়ম নয়; দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা ও ভদ্রতার দিকও শেখায়। “শৌচের সুন্নত” বা “পায়খানার ইসলামী নিয়ম” খুঁজলে এই হাদিস খুব উপযোগী। তবে ব্যাখ্যায় টেক্সটের বাইরে গিয়ে নতুন বিধান যোগ না করাই নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উম্মতকে দয়ার সঙ্গে প্রয়োজনীয় আদব শেখাতেন।
- পায়খানার সময় কেবলার দিকে মুখ বা পিঠ দেওয়া থেকে নিষেধ এসেছে।
- ডান হাতে শৌচ না করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
- গোবর ও হাড় দিয়ে শৌচ করা নিষেধ করা হয়েছে।
