২/১২৫. অধ্যায়ঃ
সশব্দে বিসমিল্লাহ পাঠের বর্ণনা
আনফাল ও বারাআত: বিসমিল্লাহ এবং সূরা-বিভাগের আলোচনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৭৮৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৭৮৭
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، - يَعْنِي ابْنَ مُعَاوِيَةَ - أَخْبَرَنَا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ يَزِيدَ الْفَارِسِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، بِمَعْنَاهُ قَالَ فِيهِ فَقُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يُبَيِّنْ لَنَا أَنَّهَا مِنْهَا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ الشَّعْبِيُّ وَأَبُو مَالِكٍ وَقَتَادَةُ وَثَابِتُ بْنُ عُمَارَةَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكْتُبْ { بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ } حَتَّى نَزَلَتْ سُورَةُ النَّمْلِ هَذَا مَعْنَاهُ .
ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইন্তেকাল করেছেন। কিন্তু সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত কিনা এ ব্যাপারে তিনি পরিস্কারভাবে কিছুই বলেননি। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, শাবী, আবু মালিক, কাতাদা ও সাবিত ইবন উমারাহ বলেন, নবী (ﷺ) এর উপর সূরা আন-নামল অবতীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি (কোনো সূরার শুরুতে) বিসমিল্লাহ লিখেননি।
দুর্বল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৭৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বের বর্ণনার অনুরূপ বক্তব্য এসেছে। এখানে একটি অতিরিক্ত বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে—রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ইন্তেকাল করেন, কিন্তু সূরা বারাআত সূরা আনফালের অন্তর্ভুক্ত কি না, এ বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। তাই বর্ণনায় বিষয়টি সাহাবীদের বোঝাপড়া ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। হাদিসের শেষে ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) কয়েকজন আলেমের বক্তব্য উল্লেখ করেছেন। তারা বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর ওপর সূরা আন-নামল অবতীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সূরার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ লিখতেন না। এই হাদিস থেকে কুরআনের সূরা-বিভাগ এবং বিসমিল্লাহ লেখার প্রসঙ্গে একটি বর্ণনাগত আলোচনা জানা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সব বিষয়ে স্পষ্ট বর্ণনা না থাকলে সাহাবীদের বুঝ ও সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- আনফাল ও বারাআত প্রসঙ্গে বিসমিল্লাহ না লেখার আলোচনা হাদিসে এসেছে।
- মুহাদ্দিসরা মূল বর্ণনার সঙ্গে আলেমদের বক্তব্যও সংরক্ষণ করেছেন।
- কুরআনের বিন্যাস নিয়ে সাহাবীরা হালকা আচরণ করেননি।
