২/১২১. অধ্যায়ঃ
যে দোয়া পড়ে সালাত আরম্ভ করতে হয়
সালাতে হামদের বাক্য ও ভালো উদ্দেশ্যের শিক্ষা
সুনানে আবু দাউদ : ৭৭৪
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৭৭৪
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ عَطَسَ شَابٌّ مِنَ الأَنْصَارِ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ حَتَّى يَرْضَى رَبُّنَا وَبَعْدَ مَا يَرْضَى مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنِ الْقَائِلُ الْكَلِمَةَ " . قَالَ فَسَكَتَ الشَّابُّ ثُمَّ قَالَ " مَنِ الْقَائِلُ الْكَلِمَةَ فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْ بَأْسًا " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَا قُلْتُهَا لَمْ أُرِدْ بِهَا إِلاَّ خَيْرًا . قَالَ " مَا تَنَاهَتْ دُونَ عَرْشِ الرَّحْمَنِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির হতে তাঁর পিতার হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায়কালে আনসার গোত্রের জনৈক যুবক হাঁচি দিয়ে বলল, “আলহামদু লিল্লাহে হামদান কাসীরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফীহি হাত্তা ইয়ারদা রব্বুনা ওয়া বাদু মা ইয়ারদা মিন আমরিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরা।” সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ কথাগুলো কে বলেছে? যুবকটি এ সময় নীরব থাকল। তিনি পুনরায় বললেন, এ কথাগুলো কে বলেছে? সে তো মন্দ কিছু বলেনি। তখন যুবকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এগুলো আমিই বলেছি এবং আমি ভালো উদ্দেশ্যেই বলেছি। তিনি বললেনঃ এ উক্তিগুলো কোথাও অপেক্ষা করেনি, বরং মহীয়ান রহমানের আরশে পৌঁছে গেছে।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৭৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পেছনে সালাত পড়ার সময় এক আনসার যুবকের ঘটনা এসেছে। যুবকটি হাঁচি দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করে একটি দীর্ঘ হামদের বাক্য বলেছিল। সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জিজ্ঞেস করেন, এ কথাগুলো কে বলেছে। যুবকটি প্রথমে চুপ থাকে। নবীজি আবার বলেন, সে তো মন্দ কিছু বলেনি। তখন যুবকটি জানায়, সে ভালো উদ্দেশ্যেই কথাগুলো বলেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, উক্তিগুলো মহীয়ান রহমানের আরশে পৌঁছে গেছে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, সালাতে আল্লাহর প্রশংসা ভালো নিয়তে বলা হয়েছে এবং নবীজি সেটিকে মন্দ বলেননি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর প্রশংসা ভালো উদ্দেশ্যে বলা প্রশংসনীয়।
- নবীজি স্পষ্ট করেছেন যে যুবকটি মন্দ কিছু বলেনি।
- সালাত শেষে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করে শিক্ষা দেয়া হয়েছে।
- হামদের বাক্যের মর্যাদা এই বর্ণনায় বিশেষভাবে এসেছে।
