২/১১৮. অধ্যায়ঃ
দুই রাকাত সালাত আদায়ের পর (তৃতীয় রাকাতের জন্য) উঠার সময় দুই হাত উত্তোলন
তাকবীরের সময় হাত উঠানোর ভঙ্গি সম্পর্কে বর্ণনা
সুনানে আবু দাউদ : ৭৪৬
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৭৪৬
حَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ الْمَعْنَى - عَنْ عِمْرَانَ، عَنْ لاَحِقٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، قَالَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ لَوْ كُنْتُ قُدَّامَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَرَأَيْتُ إِبْطَيْهِ . زَادَ ابْنُ مُعَاذٍ قَالَ يَقُولُ لاَحِقٌ أَلاَ تَرَى أَنَّهُ فِي الصَّلاَةِ وَلاَ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَكُونَ قُدَّامَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَزَادَ مُوسَى يَعْنِي إِذَا كَبَّرَ رَفَعَ يَدَيْهِ .
বাশীর ইবনু নাহীক হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে দাঁড়ালে তাঁর বগল দেখতে পেতাম (অর্থাৎ তিনি হাত এতটা পৃথক রাখতেন)। উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয আরো উল্লেখ করেন যে, বর্ণনাকারী নাহীক বলেন, তুমি কি দেখনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) সালাতের সময় নবী (ﷺ)-এর সামনে যেতে পারেন না। বর্ণনাকারী মূসা ইবনু মারওয়ান তাঁর হাদিসে আরো উল্লেখ করেন যে, তিনি তাকবির বলার সময় দুই হাত উত্তোলন করতেন।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৭৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, যদি তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে দাঁড়াতেন, তাহলে তাঁর বগল দেখতে পেতেন। এর দ্বারা বোঝা যায়, হাত এমনভাবে উঠানো বা পৃথক রাখা হতো যে বগলের অংশ দেখা যেতে পারত। বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি তাকবীর বলার সময় দুই হাত উত্তোলন করতেন। এখানে মূল বিষয় হলো তাকবীরের সময় হাত উঠানোর ভঙ্গি। হাদিসটি সালাতে হাত উঠানোর উচ্চতা নয়, বরং হাত তোলার অবস্থান ও ভঙ্গির দিকে ইঙ্গিত করে। সালাতে তাকবীর, হাত উঠানো এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের বাহ্যিক পদ্ধতি বোঝার ক্ষেত্রে এটি একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু মনোযোগযোগ্য বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাকবীর বলার সময় দুই হাত উঠানোর কথা এসেছে।
- হাত এমনভাবে পৃথক রাখার ইঙ্গিত আছে, যাতে বগল দেখা যেতে পারে।
- সালাতের বাহ্যিক ভঙ্গিও বর্ণনার মাধ্যমে শেখা যায়।
- হাদিসের অর্থ বুঝতে বর্ণনার শব্দ সতর্কভাবে দেখা দরকার।
