২/৬১. অধ্যায়ঃ
ইমামতির অধিক যোগ্য কে?
ইমামতির পোশাক: সালাতে শরীর ঢাকা রাখার শিক্ষা
সুনানে আবু দাউদ : ৫৮৬
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৫৮৬
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَلِمَةَ، بِهَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَكُنْتُ أَؤُمُّهُمْ فِي بُرْدَةٍ مُوصَلَةٍ فِيهَا فَتْقٌ فَكُنْتُ إِذَا سَجَدْتُ خَرَجَتِ اسْتِي .
‘আমর ইবনু সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমর ইবন সালিমা (রাঃ) থেকে একই হাদীসে বর্ণিত আছে, আমি একটি তালিযুক্ত চাদর গায়ে দিয়ে তাদের ইমামতি করতাম। চাদরটি ছেঁড়া থাকায় সিজদায় গমনকালে আমার নিতম্ব উন্মুক্ত হয়ে যেত।
সহীহ।হাদীস থেকে শিক্ষাঃ নাবালকের ইমামতিতে সলাত আদায় জায়িয। (উল্লেখ্য নাবালকের ইমামতিতে সলাত আদায় জায়িয না অপছন্দনীয় এ নিয়ে লোকেরা মতভেদ করলেও সহীহ কথা হচ্ছে জায়িয। কেননা নাবী (ﷺ) নাবালকের ইমামতিতে সম্মতি দিয়েছেন। তাছাড়া অন্য হাদীসে নফল সলাত আদায়কারীর পিছনে ফরয সলাত আদায় জায়িযের কথা এসেছে। যেহেতু নাবালকের সলাত নফল)।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৫৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আমর ইবন সালিমা (রা.)-এর আগের ঘটনারই আরেকটি অংশ। তিনি একটি তালিযুক্ত চাদর পরে লোকদের ইমামতি করতেন। চাদরটি ছেঁড়া ছিল, তাই সিজদায় গেলে তার শরীরের অংশ দেখা যেত। হাদিসটি খুব সাধারণ একটি ঘটনার মাধ্যমে সালাতের আদব শেখায়। ইমামতি শুধু কুরআন জানার বিষয় নয়; সালাতের অবস্থায় শরীর ঠিকভাবে ঢাকা আছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদে বা জামাতে ইমাম সামনে থাকেন, তাই তার পোশাক আরও সতর্ক হওয়া দরকার। এখানে অতিরিক্ত কোনো দাবি করার দরকার নেই; সরাসরি শিক্ষা হলো, সালাতে শালীন পোশাক রাখা এবং জামাতে মানুষের সামনে দাঁড়ালে নিজের অবস্থার দিকে খেয়াল রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে শরীর ঢেকে রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- ইমামতির সময় পোশাকের শালীনতা বিশেষভাবে খেয়াল করা উচিত।
- কুরআনজ্ঞান থাকলেও সালাতের বাহ্যিক আদব অবহেলা করা যায় না।
