২/৪৭. অধ্যায়ঃ
জামাআত পরিত্যাগের ব্যাপারে সাবধান বাণী
আযান শুনেও জামাআত না করা: ভয় ও অসুস্থতা ছাড়া ওজর নেই
সুনানে আবু দাউদ : ৫৫১
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৫৫১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي جَنَابٍ، عَنْ مَغْرَاءٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ سَمِعَ الْمُنَادِيَ فَلَمْ يَمْنَعْهُ مِنَ اتِّبَاعِهِ عُذْرٌ " . قَالُوا وَمَا الْعُذْرُ قَالَ خَوْفٌ أَوْ مَرَضٌ " لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ الصَّلاَةُ الَّتِي صَلَّى " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى عَنْ مَغْرَاءٍ أَبُو إِسْحَاقَ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি মুয়ায্জিনের আযান শোনা সত্ত্বেও কোনো ওজর ছাড়া (বিনা কারণে) জামা’আতে সালাত আদায়ে বিরত থাকে, তার অন্যত্র (একা) সালাত কবুল হবে না। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ওজর কী? নবী (ﷺ) বললেন: ভয়-ভীতি অথবা অসুস্থতা।
সহীহঃ ওজর সম্পর্কিত বাক্যটি বাদে। এছাড়া __ শব্দে মিশকাত।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৫৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান শুনে জামাতে নামাজে সাড়া দেওয়ার গুরুত্ব এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে, আর কোনো ওজর তাকে অনুসরণ করা থেকে বিরত না রাখে, তবু সে জামাআতে সালাত আদায় করে না, তার অন্যত্র আদায় করা সালাত কবুল হবে না। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, ওজর কী? নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, ভয়-ভীতি অথবা অসুস্থতা। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আযান শোনা শুধু একটি শব্দ শোনা নয়; এটি সালাতের দিকে ডাকে। হাদিসে ভয় ও অসুস্থতাকে ওজর হিসেবে বলা হয়েছে। তাই বিনা কারণে জামাআত এড়িয়ে যাওয়া সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকা দরকার। ব্যাখ্যায় হাদিসের ভাষার সীমা মানা জরুরি, কারণ এতে নির্দিষ্টভাবে আযান শোনা, ওজর, ভয় ও অসুস্থতার কথা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান শুনলে জামাআতে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত।
- ভয় বা অসুস্থতা ওজর হিসেবে হাদিসে উল্লেখ হয়েছে।
- বিনা কারণে জামাআত ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- আযান সালাতের দিকে সাড়া দেওয়ার আহ্বান হিসেবে বোঝা যায়।
