২/৪১. অধ্যায়ঃ
ওয়াক্ত হওয়ার আগে আজান দেয়া
সুবহে সাদিকের আগে আযান দিলে কী করা হয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৫৩২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫৩২
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَدَاوُدُ بْنُ شَبِيبٍ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ بِلاَلاً، أَذَّنَ قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَرْجِعَ فَيُنَادِيَ " أَلاَ إِنَّ الْعَبْدَ قَدْ نَامَ أَلاَ إِنَّ الْعَبْدَ قَدْ نَامَ " . زَادَ مُوسَى فَرَجَعَ فَنَادَى أَلاَ إِنَّ الْعَبْدَ نَامَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا الْحَدِيثُ لَمْ يَرْوِهِ عَنْ أَيُّوبَ إِلاَّ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা বিলাল (রাঃ) সুবহে সাদিকের আগেই আযান দিলেন। নবী (ﷺ) তাকে পুনরায় আযান দেয়ার স্থানে ফিরে গিয়ে এ ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দিলেনঃ "আলা ইন্নাল আবদা ক্বাদ নাম, আলা ইন্নাল আবদা ক্বাদ নাম" জেনে রাখ, বান্দা (বিলাল) আযানের সময় সম্পর্কে অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) ছাড়া অন্য কেউ আইউব (রহঃ) সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেননি।
সহীহ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, একবার বিলাল (রাঃ) সুবহে সাদিকের আগেই আযান দেন। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে আযানের স্থানে ফিরে গিয়ে ঘোষণা দিতে বলেন যে, বান্দা ঘুমিয়ে পড়েছিল বা আযানের সময় সম্পর্কে অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। এর মাধ্যমে মানুষকে জানানো হয় যে আগের আযানটি সঠিক সময়ের আগে হয়েছে। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, আযানের সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং ভুল হলে তা মানুষের সামনে পরিষ্কার করে দেওয়া দরকার। কারণ ফজরের আযান সালাত ও দিনের শুরু সম্পর্কিত। হাদিসের শেষে ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনার সূত্র সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে হাম্মাদ ইবনু সালামা ছাড়া অন্য কেউ আইউব সূত্রে এই হাদিস বর্ণনা করেননি। তাই এখানে সময়ের সতর্কতা ও বর্ণনার নোট—দুটিই এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের আযানের সময় ঠিক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- ভুল সময়ে আযান হলে মানুষকে ভুলটি জানিয়ে দেওয়া দরকার।
- ধর্মীয় কাজে অমনোযোগী হলে তা সংশোধন করা উচিত।
- হাদিস বর্ণনায় সূত্র সম্পর্কে সতর্ক মন্তব্যও গুরুত্ব পায়।
