২/৩৬. অধ্যায়ঃ

মুয়াজ্জিনের আজানের জবাবে যা বলতে হয়

আযানের শাহাদাতের জবাবে কী বলা যায়

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫২৬

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ يَتَشَهَّدُ قَالَ ‏ "‏ وَأَنَا وَأَنَا ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুয়াজ্জিনকে শাহাদাতের শব্দ উচ্চারণ করতে শুনলে বলতেন, “আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমিও অনুরূপ সাক্ষ্য দিচ্ছি।”

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মুয়াজ্জিনকে শাহাদাতের শব্দ বলতে শুনলে বলতেন, ‘আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমিও অনুরূপ সাক্ষ্য দিচ্ছি।’ এটি আযানের জবাবের একটি সুন্দর দিক তুলে ধরে। আযানের শাহাদাত অংশে আল্লাহর একত্ব এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর রিসালাতের ঘোষণা থাকে। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর এই আমল থেকে বোঝা যায়, আযান শুনে মুমিনের উচিত নিজের ঈমানের সাক্ষ্যকে নতুন করে মুখে আনা। এখানে বাড়তি ব্যাখ্যা নয়, সরাসরি আমল শেখানো হয়েছে—মুয়াজ্জিন যখন সাক্ষ্যের বাক্য বলে, তখন শ্রোতাও সাক্ষ্য দেবে। এইভাবে আযান মানুষের মনে ঈমানের কথা জাগিয়ে দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুয়াজ্জিন শাহাদাত বললে শ্রোতারও সাক্ষ্য দেওয়া উচিত।
  • আযানের জবাব ঈমানের কথা মনে করিয়ে দেয়।
  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল অনুসরণে আযানের সময় মনোযোগী থাকা দরকার।
  • শাহাদাতের বাক্য আল্লাহর একত্ব ও রিসালাতের ঘোষণা বহন করে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন