৪৩/১৫৯. অধ্যায়ঃ
গালে চুমু দেয়া সম্পর্কে
গালে চুমু দেওয়ার আদব ও ইসলামী স্নেহ
সুনানে আবূ দাউদ : ৫২২১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫২২১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ دَغْفَلٍ، قَالَ رَأَيْتُ أَبَا نَضْرَةَ قَبَّلَ خَدَّ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ .
ইয়াস ইবনু দাগফাল (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবু নাযরা (রহঃ)-কে হাসান (আঃ)-এর গালে চুমু দিতে দেখেছি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫২২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব ছোট একটি ঘটনা এসেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আবু নাযরা (রহঃ)-কে হাসান ইবন আলী (আঃ)-এর গালে চুমু দিতে দেখেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো স্নেহ, ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশের ভদ্র রূপ। হাদিসটি কোনো বড় ঘটনা বর্ণনা করছে না, বরং মানুষের আচরণের একটি কোমল দিক তুলে ধরছে। গালে চুমু দেওয়া এখানে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে এসেছে। বিশেষ করে হাসান ইবন আলী (আঃ)-এর মতো সম্মানিত ব্যক্তির প্রতি মানুষের হৃদয়ের টান এই বর্ণনায় বোঝা যায়। তাই এই হাদিস থেকে চুম্বনের আদব, স্নেহ প্রকাশ এবং সম্মানজনক আচরণের শিক্ষা পাওয়া যায়। তবে এটিকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে কোনো নতুন বিধান বানানো ঠিক নয়; হাদিসে যতটুকু এসেছে, ততটুকুই বলা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভালোবাসা ও সম্মান কখনো ভদ্র আচরণের মাধ্যমেও প্রকাশ পায়।
- স্নেহ প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও সম্মান বজায় রাখা জরুরি।
- সম্মানিত মানুষদের প্রতি ভালোবাসা কথার পাশাপাশি আচরণেও প্রকাশ পেতে পারে।
- ছোট একটি আচরণও ইসলামী আদব শেখার উপায় হতে পারে।
