৪৩/১২৮. অধ্যায়ঃ
চিঠিপত্রে প্রথমে নিজের নাম লেখা সম্পর্কে
চিঠিতে নামের ক্রম ও লেখার আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ৫১৩৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১৩৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنِ ابْنِ الْعَلاَءِ، عَنِ الْعَلاَءِ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَضْرَمِيِّ - أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَبَدَأَ بِاسْمِهِ .
আল-‘আলা ইবনুল হাদরামী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট চিঠি লিখেছিলেন এবং তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখেছিলেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, আল-আলা ইবনুল হাদরামী (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে চিঠি লিখেছিলেন এবং তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখেছিলেন। এটি আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল আছে। মূল শিক্ষা হলো, চিঠি বা লিখিত বার্তায় প্রেরকের পরিচয় স্পষ্ট করা একটি পরিচ্ছন্ন পদ্ধতি। এখানে দীর্ঘ কোনো বক্তব্য নেই, তাই এর ব্যাখ্যাও সংক্ষিপ্ত ও টেক্সটনির্ভর হওয়া উচিত। নবী صلى الله عليه وسلم-এর যুগে চিঠিপত্র ছিল গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। সেই লেখায় কে লিখছে তা আগে বলা হলে প্রাপক সহজে বিষয়টি বুঝতে পারেন। আজকের ইমেইল, আবেদনপত্র বা আনুষ্ঠানিক বার্তায়ও নিজের পরিচয় পরিষ্কার রাখা এই শিক্ষার সঙ্গে সুন্দরভাবে মিলে যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লিখিত বার্তায় প্রেরকের পরিচয় স্পষ্ট রাখা ভালো।
- চিঠিতে নামের ক্রম যোগাযোগকে সহজ করে।
- আনুষ্ঠানিক লেখায় শৃঙ্খলা ও পরিষ্কার ভাষা জরুরি।
- ছোট আদবও মানুষের যোগাযোগকে সুন্দর করে।
