৪৩/১২৮. অধ্যায়ঃ
চিঠিপত্রে প্রথমে নিজের নাম লেখা সম্পর্কে
চিঠিতে নিজের নাম আগে লেখার আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ৫১৩৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১৩৪
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، - قَالَ أَحْمَدُ قَالَ مَرَّةً يَعْنِي هُشَيْمًا - عَنْ بَعْضِ وَلَدِ الْعَلاَءِ أَنَّ الْعَلاَءَ بْنَ الْحَضْرَمِيِّ كَانَ عَامِلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْبَحْرَيْنِ فَكَانَ إِذَا كَتَبَ إِلَيْهِ بَدَأَ بِنَفْسِهِ .
আল-‘আলা (রা.)-এর কোন সন্তান হতে বর্ণিতঃ
আল-আলা (রাঃ) বাহরাইনে নবী (ﷺ) কর্তৃক নিযুক্ত গভর্নর ছিলেন। তিনি যখন নবী (ﷺ)-এর নিকট চিঠিপত্র লিখতেন তখন তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখতেন।
[৫১৩২] আহমাদ । সানাদে ‘আলা এর কতিপয় সন্তান মাজহুল ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আল-আলা ইবনুল হাদরামী (রাঃ)-এর চিঠি লেখার একটি পদ্ধতি এসেছে। তিনি বাহরাইনে নবী صلى الله عليه وسلم কর্তৃক নিযুক্ত গভর্নর ছিলেন। তিনি যখন নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে চিঠি লিখতেন, তখন তাতে প্রথমে নিজের নাম লিখতেন। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু চিঠির আদব সম্পর্কে একটি বাস্তব নমুনা দেয়। এতে দেখা যায়, লেখক নিজের পরিচয় আগে জানিয়ে তারপর প্রাপককে উদ্দেশ করে কথা লিখতে পারেন। এটি যোগাযোগকে পরিষ্কার করে। এখানে কোনো বড় বিধান চাপিয়ে দেওয়া নয়; বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর যুগে ব্যবহৃত চিঠির একটি পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। আজও আনুষ্ঠানিক লেখালেখিতে পরিচয় পরিষ্কার রাখা একটি ভালো অভ্যাস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিঠি বা বার্তায় নিজের পরিচয় পরিষ্কার রাখা ভালো।
- দায়িত্বশীল ব্যক্তি যোগাযোগে শৃঙ্খলা রাখতেন।
- লেখালেখির আদবেও নবী صلى الله عليه وسلم-এর যুগের উদাহরণ আছে।
- নিজ নাম আগে লেখা একটি গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে এসেছে।
