৪৩/১২৭. অধ্যায়ঃ
সুপারিশ করা
ভালো কাজে সুপারিশ করার নববী শিক্ষা
সুনানে আবু দাউদ : ৫১৩১
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৫১৩১
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اشْفَعُوا إِلَىَّ لِتُؤْجَرُوا وَلْيَقْضِ اللَّهُ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ مَا شَاءَ " .
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা আমার নিকট সুপারিশ করো, তাহলে তোমরা সওয়াব লাভ করতে পারবে। আর নবীর সিদ্ধান্ত তাই হয় যা আল্লাহ ইচ্ছা করেন।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৫১৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, “তোমরা আমার নিকট সুপারিশ করো, তাহলে তোমরা সওয়াব লাভ করতে পারবে। আর নবীর সিদ্ধান্ত তাই হয় যা আল্লাহ ইচ্ছা করেন।” এখানে সুপারিশ বলতে অন্যের উপকারের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে কথা বলা বোঝানো হয়েছে। কেউ দরকারে পড়েছে, তার জন্য ভালো কথা বলা বা কল্যাণের পথ খুলে দেওয়া—এগুলো সওয়াবের কারণ হতে পারে। তবে হাদিসে সঙ্গে সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও আছে: সিদ্ধান্ত আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী হয়। তাই সুপারিশ করলেই ফল নিজের মতো হবে—এমন দাবি করা যাবে না। মানুষ কল্যাণের চেষ্টা করবে, আর ফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ন্যায়সঙ্গত সুপারিশ সওয়াবের কারণ হতে পারে।
- অন্যের উপকারে ভালো কথা বলা কল্যাণের কাজ।
- সুপারিশের ফল আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে।
- সুপারিশে ন্যায় ও কল্যাণের সীমা রক্ষা করা দরকার।
