৪৩/১১৭. অধ্যায়ঃ
সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তার কানে আজান দেয়া
শিশুদের জন্য বরকতের দোয়া ও তাহনিক
সুনানে আবূ দাউদ : ৫১০৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১০৬
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، ح وَحَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُؤْتَى بِالصِّبْيَانِ فَيَدْعُو لَهُمْ بِالْبَرَكَةِ - زَادَ يُوسُفُ - وَيُحَنِّكُهُمْ وَلَمْ يَذْكُرْ بِالْبَرَكَةِ .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট বাচ্চাদেরকে আনা হলে তিনি তাদের জন্য বরকতের দোয়া করতেন। ইউসুফের বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি (ﷺ) খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। এতে ‘বরকতের জন্য’ কথাটি উল্লেখ নেই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) জানান, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে শিশুদের আনা হলে তিনি তাদের জন্য বরকতের দোয়া করতেন। ইউসুফের বর্ণনায় এসেছে, তিনি খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। এখানে দুইটি বিষয় স্পষ্ট: শিশুদের জন্য দোয়া এবং খেজুর চিবিয়ে মুখে দেওয়ার বর্ণনা। শিশুর জন্ম বা ছোট বয়সে বড়দের দোয়া কত সুন্দর একটি বিষয়, তা এই হাদিসে দেখা যায়। নবী (صلى الله عليه وسلم) শিশুদের প্রতি মমতা দেখিয়েছেন এবং তাদের জন্য কল্যাণ চেয়েছেন। তবে বর্ণনার পার্থক্যও উল্লেখ আছে—এক বর্ণনায় ‘বরকতের জন্য’ কথাটি নেই। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। শিশুদের জন্য বরকতের দোয়া, তাহনিক এবং নবীজির স্নেহ—এই হাদিসের মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিশুদের জন্য বরকতের দোয়া করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল হিসেবে এসেছে।
- খেজুর চিবিয়ে শিশুর মুখে দেওয়ার বর্ণনা এই হাদিসে আছে।
- শিশুর প্রতি স্নেহ ও কল্যাণ কামনা মুমিনের সুন্দর আচরণ।
- বর্ণনার শব্দভেদ থাকলে তা সতর্কভাবে উল্লেখ করা উচিত।
