৪৩/৭০. অধ্যায়ঃ
মন্দ নাম পরিবর্তন করা
আফলাহ, ইয়াসার, নাফি ও রাবাহ: নামকরণে সতর্কতা
সুনানে আবু দাউদ : ৪৯৫৯
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৪৯৫৯
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ الرُّكَيْنَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَمُرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نُسَمِّيَ رَقِيقَنَا أَرْبَعَةَ أَسْمَاءٍ أَفْلَحَ وَيَسَارًا وَنَافِعًا وَرَبَاحًا .
সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের দাসদের নামকরণের ক্ষেত্রে চারটি নাম রাখতে বারণ করেছেন: আফলাহ, ইয়াসার, নাফি ও রাবাহ।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৪৯৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সামুরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দাসদের নামকরণের ক্ষেত্রে চারটি নাম রাখতে বারণ করেছেন: আফলাহ, ইয়াসার, নাফি ও রাবাহ। আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল রেখে এখানে নামের ব্যবহার ও কথার অর্থের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ। এসব নামের অর্থ লাভ, সফলতা, উপকার বা সহজতার মতো ভালো অর্থ দিতে পারে, কিন্তু দৈনন্দিন প্রশ্ন-উত্তরে ‘সে নেই’ বললে অর্থের দিক থেকে অপছন্দনীয় ভাব তৈরি হতে পারে। এই হাদিসে নির্দিষ্টভাবে দাসদের নামের প্রসঙ্গ এসেছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, নামকরণে শুধু সুন্দর শব্দ নয়, তার অর্থ ও ব্যবহারও ভেবে দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে চারটি নির্দিষ্ট নামের ব্যাপারে বারণ এসেছে।
- নামের অর্থ ভালো হলেও ব্যবহারে সতর্কতা দরকার হতে পারে।
- নামকরণে নববী নির্দেশনা মানা উত্তম।
- শব্দের অর্থ মানুষের কথায় কীভাবে আসে, তা বিবেচনা করা উচিত।
