৪৩/৬১. অধ্যায়ঃ

হিজড়া সম্পর্কে বিধান

পুরুষ-নারী সাদৃশ্য গ্রহণের কঠোর সতর্কতা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৯৩০

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَعَنَ الْمُخَنَّثِينَ مِنَ الرِّجَالِ وَالْمُتَرَجِّلاَتِ مِنَ النِّسَاءِ وَقَالَ ‏ "‏ أَخْرِجُوهُمْ مِنْ بُيُوتِكُمْ وَأَخْرِجُوا فُلاَنًا وَفُلاَنًا ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الْمُخَنَّثِينَ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) অভিশাপ দিয়েছেন পুরুষদের মধ্যে যারা নারী সাদৃশ্য ধারণ করে এবং নারীদের মধ্যে যারা পুরুষ সাদৃশ্য ধারণ করে। তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা এদেরকে তোমাদের বাড়ি-ঘর থেকে বের করে দাও এবং অমুক অমুক হিজড়াকেও বের করো।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯৩০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) পুরুষদের মধ্যে যারা নারীসাদৃশ্য ধারণ করে এবং নারীদের মধ্যে যারা পুরুষসাদৃশ্য ধারণ করে তাদের ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, এদেরকে ঘর থেকে বের করে দাও, এবং অমুক অমুক ব্যক্তিকেও বের করো। বর্ণনায় মূল কথা হলো ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের বেশ, ভঙ্গি বা সাদৃশ্য গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এখানে “পুরুষ-নারী সাদৃশ্য” মূল বিষয়। তবে হাদিসটি নির্দিষ্ট আচরণ নিয়ে এসেছে; তাই ব্যাখ্যায় ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নয়, বরং আচরণের সংশোধন ও ঘরের আদবের দিকটি বোঝা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত লিঙ্গের সাদৃশ্য গ্রহণের বিষয়ে সতর্কতা এসেছে।
  • ঘরের পরিবেশ ও আদব রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আছে।
  • হাদিসটি আচরণ সংশোধনের শিক্ষা দেয়, বিদ্বেষ ছড়ানোর নয়।
  • বাহ্যিক আচরণেও দ্বীনের সীমা মানার কথা স্মরণ করায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন