৪৩/৪৯. অধ্যায়ঃ
প্রতিশোধ গ্রহণ
অপমানের সময় ধৈর্য ও পাল্টা জবাবের সীমা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৮৯৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৮৯৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، كَانَ يَسُبُّ أَبَا بَكْرٍ وَسَاقَ نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، كَمَا قَالَ سُفْيَانُ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি আবু বকর (রাঃ) কে গালি দিচ্ছিল... অতঃপর পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, এক ব্যক্তি আবু বকর (রাঃ)-কে গালি দিচ্ছিল এবং পূর্বের হাদিসের মতো ঘটনা ঘটেছিল। অর্থাৎ আবু বকর (রাঃ) শুরুতে নীরব ছিলেন, পরে জবাব দেন; আর নবী صلى الله عليه وسلم বোঝান যে নীরব থাকা অবস্থায় ফেরেশতা তাঁর পক্ষ থেকে জবাব দিচ্ছিল, কিন্তু প্রতিশোধের সময় শয়তান এসে পড়ে। যেহেতু এটি আগের ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, তাই এর শিক্ষা একই: অপমানের মুহূর্তে জিহ্বা সংযত রাখা বড় বিষয়। প্রতিটি কথার জবাব দেওয়া জরুরি নয়। কেউ গালি দিলে নিজের মর্যাদা গালির ভাষায় নামিয়ে আনা ঠিক নয়। তবে হাদিসটি ভুক্তভোগীর কষ্টকে অস্বীকার করে না; বরং তাকে এমন পথে ডাকছে যেখানে রাগের আগুন কমে এবং শয়তানের প্রভাব থেকে দূরে থাকা যায়। সামাজিক জীবনে এই শিক্ষা খুব দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গালির জবাবে ধৈর্য ধরলে ঝগড়া কমে যেতে পারে।
- পাল্টা জবাব দিতে গেলে সীমা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- অপমানের সময় নিজের ভাষা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও আগের ঘটনার মূল শিক্ষা জোরদার করে।
