৪৩/৪০. অধ্যায়ঃ
গীবত সম্পর্কে
গীবতের ভয়াবহতার অনুরূপ বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৮৭৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৮৭৯
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ أَبِي عِيسَى السَّيْلَحِينِيُّ، عَنْ أَبِي الْمُغِيرَةِ، كَمَا قَالَ ابْنُ الْمُصَفَّى .
আবুল মুগীরাহ (রহঃ) সূত্রে ইবনুল মুসাফ্ফা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু মুগীরা (রহঃ) সূত্রে ইবনুল মুসাফফা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।[৪৮৭৭] এর পূর্বেরটি দেখুন ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। এতে বলা হয়েছে, আবু মুগীরা (রহঃ) সূত্রে ইবনুল মুসাফফা (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। অর্থাৎ এটি আগের হাদিসের একই বিষয়ের আরেকটি সূত্র বা অনুরূপ বর্ণনা। আগের বর্ণনায় মি’রাজের রাতে এমন লোকদের কথা ছিল, যারা তামার নখ দিয়ে নিজেদের মুখ ও বুক আঁচড়াচ্ছিল; কারণ তারা মানুষের গীবত করত এবং মানসম্মানে আঘাত করত। এই সংক্ষিপ্ত হাদিস আমাদের শেখায় যে একই শিক্ষা একাধিক সূত্রে আসতে পারে। তবে এখানে আলাদা বিস্তারিত নেই, তাই ব্যাখ্যায় আগের অনুরূপ বর্ণনার সীমা ছাড়িয়ে নতুন কোনো দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয়ের বর্ণনা একাধিক সূত্রে আসতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস বুঝতে কাছাকাছি বর্ণনা দেখা দরকার।
- গীবত ও সম্মানহানির সতর্কতা আগের বর্ণনার সঙ্গে যুক্ত।
- যেখানে বিস্তারিত নেই, সেখানে নতুন কথা যোগ করা উচিত নয়।
