৪৩/৪০. অধ্যায়ঃ
গীবত সম্পর্কে
অন্যায় সম্মানহানি ও গালির জবাবের সীমা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৮৭৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৮৭৭
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مِنْ أَكْبَرِ الْكَبَائِرِ اسْتِطَالَةَ الْمَرْءِ فِي عِرْضِ رَجُلٍ مُسْلِمٍ بِغَيْرِ حَقٍّ وَمِنَ الْكَبَائِرِ السَّبَّتَانِ بِالسَّبَّةِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: অন্যায়ভাবে কোনো মুসলিমের মানসম্মানে আঘাত হানা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত এবং একবার গালি দেওয়ার পরিবর্তে দুইবার গালি দেওয়াও কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
[৪৮৭৫] আবূ দাউদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দুটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন। প্রথমত, অন্যায়ভাবে কোনো মুসলিমের মানসম্মানে আঘাত করা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। দ্বিতীয়ত, একবার গালি দেওয়ার পরিবর্তে দুইবার গালি দেওয়াও কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে। এখানে কথার জবাবে মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার বিপদ বোঝানো হয়েছে। কেউ ভুল করলে বা কষ্ট দিলে মানুষ অনেক সময় রাগে আরও বেশি কঠিন কথা বলে ফেলে। কিন্তু এই হাদিস শেখায়, অন্যের সম্মান নষ্ট করা এবং গালির জবাবে বাড়াবাড়ি করা নিরাপদ পথ নয়। মুসলিমের মুখের ভাষা হওয়া উচিত সংযত, ন্যায্য ও দায়িত্বশীল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলিমের সম্মানে অন্যায় আঘাত কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
- গালির জবাবে বাড়তি গালি দেওয়া থেকেও বাঁচতে হবে।
- রাগের সময় জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
- কথায় ন্যায়সঙ্গত সীমা বজায় রাখা মুমিনের দায়িত্ব।
