৪৩/৪০. অধ্যায়ঃ

গীবত সম্পর্কে

গীবত কী? নবীজির স্পষ্ট সংজ্ঞা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৮৭৪

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْغِيبَةُ قَالَ ‏"‏ ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ قَالَ ‏"‏ إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدِ اغْتَبْتَهُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدْ بَهَتَّهُ ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করা হলো, গীবত কী? তিনি বললেন, “তোমার ভাইয়ের ব্যাপারে তোমার এমন কিছু বলা যা শুনলে সে অসন্তুষ্ট হয়।” পুনরায় প্রশ্ন করা হলো, “আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে বর্তমান থাকে?” তিনি বললেন, “তুমি যা বলো তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলেই তুমি তার গীবত করলে। আর তুমি যা বলো তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে তুমি তাকে মিথ্যা অপবাদ দিলে।”

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৭৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে গীবতের সংজ্ঞা খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, গীবত কী? তিনি বললেন, তোমার ভাইয়ের ব্যাপারে এমন কিছু বলা, যা শুনলে সে অসন্তুষ্ট হয়। আবার প্রশ্ন করা হলো, আমি যা বলি তা যদি সত্যিই তার মধ্যে থাকে? তিনি বললেন, তা থাকলেই তুমি তার গীবত করলে। আর যদি তা না থাকে, তাহলে তুমি তাকে মিথ্যা অপবাদ দিলে। এই হাদিস গীবত ও অপবাদের পার্থক্য বুঝতে খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই মনে করে সত্য কথা বললে গীবত হয় না; কিন্তু হাদিসে বলা হয়েছে, সত্য হলেও যদি সে শুনে কষ্ট পায়, সেটি গীবত হতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কারও অপছন্দনীয় সত্য কথা পেছনে বলা গীবত হতে পারে।
  • যা নেই তা কারও নামে বলা অপবাদ।
  • গীবত ও অপবাদ দুটিই জিহ্বার বড় ভুল।
  • কথা বলার আগে ভাবা দরকার, এতে কারও সম্মান নষ্ট হচ্ছে কি না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন