৪৩/৬. অধ্যায়ঃ
লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা
ভুল ধরার বদলে সুন্দরভাবে সংশোধন
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৭৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৭৮৮
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، - يَعْنِي الْحِمَّانِيَّ - حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا بَلَغَهُ عَنِ الرَّجُلِ الشَّىْءُ لَمْ يَقُلْ مَا بَالُ فُلاَنٍ يَقُولُ وَلَكِنْ يَقُولُ " مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَقُولُونَ كَذَا وَكَذَا " .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-কে কোন ব্যক্তির কোন বিষয়ে জানানো হলে তিনি এভাবে বলতেন না : তার কি হলো যে, সে একথা বলে? বরং তিনি বলতেন, লোকজনের কি হলো যে, তারা এই এই বলে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৭৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মানুষকে সংশোধন করার নববী আদব শেখানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তির কোনো ভুল কথা বা কাজ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি সরাসরি বলতেন না, ‘অমুকের কী হলো, সে এমন বলছে?’ বরং তিনি বলতেন, ‘লোকদের কী হলো, তারা এমন এমন বলে?’ এতে ব্যক্তিকে সবার সামনে ছোট করা হতো না, কিন্তু ভুলটি বুঝিয়ে দেওয়া হতো। এই পদ্ধতিতে সংশোধনও হয়, আবার মানুষের সম্মানও থাকে। আমাদের পরিবার, কাজের জায়গা বা সমাজে অনেক সময় ভুল ধরতে গিয়ে মানুষকে আঘাত করি। এই হাদিস শেখায়, কারও দোষ প্রকাশ না করে সুন্দর ভাষায় ভুল ঠিক করা উত্তম আচরণের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভুল সংশোধনের সময় মানুষকে অপমান করা উচিত নয়।
- সরাসরি নাম না ধরে সাধারণভাবে সতর্ক করা নববী আদব।
- সুন্দর ভাষায় বলা হলে কথা সহজে গ্রহণযোগ্য হয়।
- সংশোধনের লক্ষ্য হওয়া উচিত ভালো করা, লজ্জা দেওয়া নয়।
