৪২/১৬. অধ্যায়ঃ
ঈমান বৃদ্ধি ও হ্রাসের দলিল
উত্তম চরিত্র ঈমানের পূর্ণতার বড় পরিচয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৬৮২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৬৮২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঐ মুমিন ঈমানে পরিপূর্ণ যার চরিত্র সর্বোত্তম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৬৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ঈমান ও চরিত্রের গভীর সম্পর্ক বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে ঈমানে বেশি পূর্ণ সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর। এখানে ঈমানকে শুধু মুখের কথা বা বাহ্যিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। বরং মানুষের ব্যবহার, কথা, আচরণ, ধৈর্য, নরম মনোভাব এবং অন্যের সঙ্গে ভালো ব্যবহার—এসবও ঈমানের সৌন্দর্যের অংশ। উত্তম চরিত্র মানে মানুষের সঙ্গে এমন আচরণ করা, যাতে সত্য, ভদ্রতা ও দায়িত্ববোধ থাকে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, ভালো মুসলিম হতে হলে ইবাদতের পাশাপাশি চরিত্রও ঠিক করতে হবে। ঈমানের পূর্ণতা, ভালো ব্যবহার, মুমিনের চরিত্র এবং আখলাক—এসব এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈমানের পূর্ণতার সঙ্গে সুন্দর চরিত্রের সরাসরি সম্পর্ক আছে।
- মুমিনের ভালো ব্যবহার তার দ্বীনদারির পরিচয় বহন করে।
- চরিত্র ঠিক করা ঈমানি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মানুষের সঙ্গে নরম ও সুন্দর আচরণ করা ইসলামের শিক্ষা।
