৪১/২০. অধ্যায়ঃ
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিয়াত
আঙুলের দিয়াত: হাত-পায়ের সমান বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৫৬১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৫৬১
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَصَابِعَ الْيَدَيْنِ وَالرِّجْلَيْنِ سَوَاءً .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুই হাত ও দুই পায়ের আঙুল (এর দিয়াত) সমান হিসেবে ধার্য করেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৫৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাতের আঙুল ও পায়ের আঙুলের দিয়াত সমান করেছেন। অর্থাৎ আঘাত বা ক্ষতির ক্ষেত্রে হাতের আঙুল এবং পায়ের আঙুলকে আলাদা মানে কম-বেশি করা হয়নি। মূল শিক্ষা হলো, শরীরের অঙ্গের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে ন্যায় ও স্পষ্টতা রাখা হয়েছে। এখানে আঙুলের দিয়াত, হাত-পায়ের আঙুলের ক্ষতিপূরণ এবং ইসলামী বিচার—এই বিষয়গুলো সরাসরি এসেছে। হাদিসটি ছোট হলেও এর বিধান পরিষ্কার। কারও অঙ্গহানি হলে তা হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিচারক বা দায়িত্বশীলদের জন্যও এতে একটি মাপদণ্ড আছে, যেন ক্ষতির হিসাব আবেগ দিয়ে নয়, নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী করা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাত ও পায়ের আঙুলের দিয়াত সমান ধরা হয়েছে।
- অঙ্গহানির ক্ষতিপূরণে শরীয়তের নির্দিষ্ট মাপ আছে।
- বিচারে ব্যক্তিগত অনুমান নয়, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করা উচিত।
