৪০/২৪. অধ্যায়ঃ
মাইয ইবনু মালিককে রজম করার ঘটনা
বিবাহিত অবস্থা জানার পর রজমের আদেশ
সুনানে আবু দাউদ : ৪৪৩৮
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৪৪৩৮
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا ح، وَحَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، - الْمَعْنَى - قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَجُلاً، زَنَى بِامْرَأَةٍ فَأَمَرَ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَجُلِدَ الْحَدَّ ثُمَّ أُخْبِرَ أَنَّهُ مُحْصَنٌ فَأَمَرَ بِهِ فَرُجِمَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ مَوْقُوفًا عَلَى جَابِرٍ . وَرَوَاهُ أَبُو عَاصِمٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ بِنَحْوِ ابْنِ وَهْبٍ لَمْ يَذْكُرِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ رَجُلاً زَنَى فَلَمْ يَعْلَمْ بِإِحْصَانِهِ فَجُلِدَ ثُمَّ عَلِمَ بِإِحْصَانِهِ فَرُجِمَ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জনৈক ব্যক্তি এক মহিলার সঙ্গে যিনা করে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আদেশে তাকে বেত্রাঘাত করা হয়। অতঃপর তাঁকে অভিহিত করা হয় যে, সে বিবাহিত; কাজেই তিনি নির্দেশ দিলে তাকে পাথর মারা হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবন বকর আল-বুরসানি এ হাদীস ইবন জুরাইজ হতে জাবির (রাঃ) সূত্রে মাওকূফভাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ আসিম এ হাদীস ইবন জুরাইজ সূত্রে ইবন ওহবের মতই বর্ণনা করেছেন এবং নবী (ﷺ)-এর উল্লেখ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, এক ব্যক্তি যিনা করলো, কিন্তু সে বিবাহিত কিনা তা জানা গেলো না। অতএব তাকে বেত্রাঘাত করা হয়। পরে তার বৈবাহিক অবস্থা জানা গেলে তাকে রজম করা হয়।
[৪৪৩৭] আবূ দাঊদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া নাসায়ীর সুনানুল কুবরা, বায়হাক্বী।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৪৪৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, এক ব্যক্তি এক নারীর সঙ্গে যিনা করে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আদেশে তাকে প্রথমে বেত্রাঘাত করা হয়। পরে জানানো হয় যে, সে বিবাহিত। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) নির্দেশ দিলে তাকে রজম করা হয়। এরপর ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বর্ণনার সূত্র ও শব্দভেদ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, কেউ এটি জাবির (রাঃ) সূত্রে মাওকূফভাবে বর্ণনা করেছেন, আবার কোনো বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর উল্লেখ নেই। শেষ অংশে একই অর্থ এসেছে—লোকটি বিবাহিত কিনা জানা ছিল না, তাই প্রথমে বেত্রাঘাত করা হয়; পরে বিবাহিত অবস্থা জানা গেলে রজম করা হয়। এই হাদিসে হদ্দ প্রয়োগে বৈবাহিক অবস্থার তথ্য কত গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শাস্তি প্রয়োগে ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে এসেছে।
- প্রথমে তথ্য অজানা থাকলে বেত্রাঘাতের কথা এসেছে।
- পরে বিবাহিত হওয়া জানা গেলে রজমের কথা বলা হয়েছে।
- বর্ণনার সূত্র ও শব্দভেদ সম্পর্কে ইমাম আবূ দাউদের মন্তব্য আছে।
