৪০/৬. অধ্যায়ঃ
কেউ শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে যথাসম্ভব তা গোপন রাখা উচিত
হাযযাল কেন মাঈজকে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে পাঠালেন
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৩৭৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৩৭৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، أَنَّ هَزَّالاً، أَمَرَ مَاعِزًا أَنْ يَأْتِيَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَيُخْبِرَهُ .
ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
হাযযাল মা’ইযকে নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে (তার অপরাধের কথা) তাঁকে অবহিত করতে আদেশ দেন।
[৪৩৭৭] বায়হাক্বী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৩৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত। এতে বলা হয়েছে, হাযযাল মাঈজকে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এসে তার অপরাধের কথা জানাতে আদেশ দেন। আগের হাদিসে দেখা গেছে, মাঈজ নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে চারবার স্বীকার করেছিলেন এবং পরে রজমের আদেশ হয়। সেখানে নবী صلى الله عليه وسلم হাযযালকে বলেন, তুমি যদি এটা তোমার কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে, তাহলে তোমার জন্য ভালো হতো। তাই এই ছোট বর্ণনাটি আগের ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বুঝতে সাহায্য করে। এখানে মূল বিষয় স্বীকারোক্তি, অপরাধ প্রকাশ এবং হদ্দের আগে গোপন রাখার শিক্ষা। হাদিসটি আমাদের সতর্ক করে, অন্যকে নিজের পাপ প্রকাশের দিকে ঠেলে দেওয়া সব সময় কল্যাণকর নাও হতে পারে, বিশেষ করে যখন সংশোধন ও তাওবার পথ থাকতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাযযাল মাঈজকে অপরাধ জানাতে বলেছিলেন—এটি ঘটনার অংশ।
- অপরাধ প্রকাশের আগে গোপন রাখা ও সংশোধনের বিষয় ভাবা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় ঘটনার কারণ বুঝতে সাহায্য করে।
- হদ্দের বিষয় বিচারিক স্থানে পৌঁছালে ফল কঠিন হতে পারে।
