৩৪/৩৬. অধ্যায়ঃ

মহান আল্লাহর বাণী: “আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে”

বিবাহিত দাসীর আওরাহ সম্পর্কে সতর্ক নির্দেশ

সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৪১১৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمَيْمُونِ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا زَوَّجَ أَحَدُكُمْ عَبْدَهُ أَمَتَهُ فَلاَ يَنْظُرْ إِلَى عَوْرَتِهَا ‏"‏ ‏.‏

আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ নিজ কৃতদাসীকে নিজ কৃতদাসের সাথে বিয়ে দিলে সে যেন তার গুপ্ত অঙ্গের দিকে না তাকায়।

সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৪১১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট নির্দেশ এসেছে। তিনি বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি নিজ কৃতদাসীকে নিজ কৃতদাসের সাথে বিয়ে দেয়, তাহলে সে যেন তার গুপ্ত অঙ্গের দিকে না তাকায়। এখানে মূল বিষয় হলো আওরাহ, দৃষ্টি সংযম এবং বিবাহের পর দাসীর মর্যাদার সীমা। হাদিসটি ছোট হলেও এর ভাষা সরাসরি। এতে অতিরিক্ত কোনো গল্প বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা নেই। তাই ব্যাখ্যাতেও সরাসরি পাঠের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। আমরা বলতে পারি, দাসীকে বিয়ে দেওয়ার পর তার ব্যক্তিগত অঙ্গ দেখার বিষয়ে নিষেধ এসেছে। এটি দেখায়, সম্পর্কের ধরন বদলালে দৃষ্টির সীমাও বিবেচনায় আসে। যারা ‘আওরাহ হাদিস’, ‘দাসীর পর্দা’ বা ‘দৃষ্টি সংযম’ বিষয়ে জানতে চান, এই বর্ণনা তাদের জন্য প্রাসঙ্গিক।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিবাহের পর দাসীর গুপ্ত অঙ্গের দিকে তাকানো নিষেধ করা হয়েছে।
  • দৃষ্টি সংযম শুধু মুক্ত নারীর ক্ষেত্রেই নয়, দাসীর ক্ষেত্রেও আলোচিত হয়েছে।
  • হাদিসের সংক্ষিপ্ত ভাষা অনুযায়ী সীমিত ও সতর্ক ব্যাখ্যা করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন