২/৫. অধ্যায়ঃ
আছরের সালাতের ওয়াক্ত
মধ্যবর্তী সালাত: আসর সালাতের গুরুত্ব ও সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৪০৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪০৯
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ " حَبَسُونَا عَنْ صَلاَةِ الْوُسْطَى صَلاَةِ الْعَصْرِ مَلأَ اللَّهُ بُيُوتَهُمْ وَقُبُورَهُمْ نَارًا " .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খন্দকের যুদ্ধের দিন বলেন, তারা (কাফিররা) আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত অর্থাৎ আসরের সালাত আদায় করা হতে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তাদের ঘর ও কবরগুলোকে জাহান্নামের আগুনে পরিপূর্ণ করে দিন।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খন্দকের যুদ্ধের দিনের একটি ঘটনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, তারা আমাদেরকে মধ্যবর্তী সালাত, অর্থাৎ আসরের সালাত আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে। এরপর তিনি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর দোয়া করেন। এই বর্ণনা থেকে আসর সালাতের গুরুত্ব খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। এখানে ‘সালাতুল উসতা’ বা মধ্যবর্তী সালাতকে আসরের সালাত বলা হয়েছে। তবে এই হাদিসে যুদ্ধের নির্দিষ্ট অবস্থার কথা এসেছে, তাই এটিকে সাধারণ রাগ বা ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক নয়। আসর সালাতের গুরুত্ব, মধ্যবর্তী সালাত এবং সালাত থেকে বিরত রাখা—এসব বিষয় এই হাদিসের মূল শিক্ষা। একজন মুসলিমের জন্য সালাতকে সময়মতো আদায় করা কত বড় বিষয়, তা এই বর্ণনায় গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে মধ্যবর্তী সালাত হিসেবে আসরের সালাত উল্লেখ করা হয়েছে।
- সালাত থেকে বিরত রাখা গুরুতর বিষয় হিসেবে এসেছে।
- খন্দকের দিনের ঘটনা আসর সালাতের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়।
- সালাতের সময় রক্ষা করা মুসলিম জীবনের বড় দায়িত্ব।
