৩৪/২৪. অধ্যায়ঃ

আঁটসাট কাপড় পরা নিষেধ

নিষিদ্ধ দুই ধরনের কাপড় পরার হাদিস

সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৪০৮০

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لِبْسَتَيْنِ أَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ مُفْضِيًا بِفَرْجِهِ إِلَى السَّمَاءِ وَيَلْبَسَ ثَوْبَهُ وَأَحَدُ جَانِبَيْهِ خَارِجٌ وَيُلْقِي ثَوْبَهُ عَلَى عَاتِقِهِ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুইভাবে কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। (১) মানুষের এমনভাবে লেপটে পোশাক পরা যে, লজ্জাস্থান আকাশের দিকে উন্মুক্ত হয়ে থাকে, (২) কাপড় এভাবে পরা যে, শরীরের একদিক বের হয়ে থাকে, আর অবশিষ্ট কাপড় কাঁধে ফেলে রাখা হয়।

সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৪০৮০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুইভাবে কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন। প্রথমটি হলো এমনভাবে বসা বা কাপড় জড়ানো, যাতে মানুষের লজ্জাস্থান আকাশের দিকে উন্মুক্ত হয়ে থাকে। দ্বিতীয়টি হলো কাপড় এমনভাবে পরা, যাতে শরীরের একদিক বের হয়ে থাকে এবং বাকি কাপড় কাঁধে ফেলে রাখা হয়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো পোশাক শুধু ঢাকার জিনিস নয়; তা শালীনতা ও নিরাপদ আবরণের মাধ্যম। এমনভাবে কাপড় পরা উচিত নয়, যাতে লজ্জাস্থান বা শরীরের অংশ অনুচিতভাবে প্রকাশ পায়। এখানে পোশাকের আদব, শালীনতা এবং সতর্কতার শিক্ষা এসেছে। তাই মুসলিমের পোশাক হওয়া উচিত এমন, যা শরীর ঢাকে, অস্বস্তিকর ভঙ্গি তৈরি করে না এবং মানুষের সামনে শালীনতা বজায় রাখে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কাপড় এমনভাবে পরা যাবে না, যাতে লজ্জাস্থান প্রকাশ পায়।
  • শরীরের একদিক খোলা রেখে কাপড় পরার ব্যাপারে নিষেধ এসেছে।
  • পোশাকের উদ্দেশ্য শালীনতা ও আবরণ রক্ষা করা।
  • বসা ও কাপড় জড়ানোর ভঙ্গিতেও সতর্কতা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন