৩১/৬. অধ্যায়ঃ
যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না
শরীকানা দাস মুক্তিতে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৯৪৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৪৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " إِذَا كَانَ الْعَبْدُ بَيْنَ اثْنَيْنِ فَأَعْتَقَ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ فَإِنْ كَانَ مُوسِرًا يُقَوَّمُ عَلَيْهِ قِيمَةً لاَ وَكْسَ وَلاَ شَطَطَ ثُمَّ يُعْتَقُ " .
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত এবং এ সূত্র নবী (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছে। দুই মনিবের মালিকানাধীন একটি গোলামকে এক মনিব তার অংশ আজাদ করলো। আজাদকারী মনিব যদি সম্পদশালী হয়, তবে তার উচিত হলো গোলামটির যথার্থ মূল্য না কমিয়ে না বাড়িয়ে ধার্য করে তাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, দুই মনিবের মালিকানাধীন একটি গোলামের এক মনিব যদি নিজের অংশ আযাদ করে, আর সে যদি সম্পদশালী হয়, তাহলে গোলামটির যথার্থ মূল্য ধার্য করা হবে। মূল্য নির্ধারণে “না কমিয়ে, না বাড়িয়ে”—এই দিকটি বিশেষভাবে এসেছে। এরপর তাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। এখানে দাস মুক্তির সঙ্গে ন্যায্য হিসাবের শিক্ষা খুব পরিষ্কার। কারো অধিকার কমিয়ে দেওয়া যাবে না, আবার অতিরিক্ত চাপও দেওয়া যাবে না। ইসলামের এই শিক্ষা আমাদের বুঝায়, মুক্তির মতো ভালো কাজও ন্যায়ভিত্তিকভাবে করতে হয়। “ন্যায্য মূল্য”, “শরীকানা গোলাম আযাদ” এবং “দাস মুক্তির হাদিস” এই বর্ণনার গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান শব্দ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শরীকানা দাস মুক্তিতে যথার্থ মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।
- মূল্য কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে কোনো পক্ষের ক্ষতি করা ঠিক নয়।
- সম্পদশালী হলে মুক্তির দায়িত্ব আরও স্পষ্টভাবে আসে।
