৩১/৬. অধ্যায়ঃ

যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না

শরীকানা গোলাম আযাদের ন্যায়ভিত্তিক বিধান

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৪৩

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا مِنْ مَمْلُوكٍ لَهُ فَعَلَيْهِ عِتْقُهُ كُلُّهُ إِنْ كَانَ لَهُ مَا يَبْلُغُ ثَمَنَهُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ عَتَقَ نَصِيبُهُ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরীকানা গোলামের নিজের অংশ আযাদ করে দেয়, তার নিকট যদি এ গোলামের সম্পূর্ণ মূল্য পরিমাণ মাল থাকে, তবে তার উচিত তাকে পূর্ণভাবে আযাদ করা। আর যদি এ পরিমাণ সম্পদ না থাকে, তবে সে তার অংশ পরিমাণই আযাদ হবে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৪৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শরীকানা গোলাম আযাদ করার একটি স্পষ্ট নিয়ম বলেছেন। কোনো ব্যক্তি যদি এমন গোলামের নিজের অংশ আযাদ করে, যার মালিকানায় আরও শরীক আছে, তাহলে তার সম্পদ থাকলে গোলামটিকে পূর্ণভাবে মুক্ত করার দায়িত্ব আসে। অর্থাৎ শুধু নিজের অংশ মুক্ত করে অন্য অংশকে আগের অবস্থায় রেখে দেওয়া যথেষ্ট নয়, যদি তার কাছে পুরো মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকে। আর যদি তার কাছে এত সম্পদ না থাকে, তাহলে তার অংশ যতটুকু ছিল, ততটুকুই আযাদ হবে। এই বর্ণনায় দাস মুক্তির সঙ্গে ন্যায়, সামর্থ্য এবং অন্যের অধিকার—সবকিছু বিবেচনা করা হয়েছে। “শরীকানা দাস মুক্তি” ও “গোলাম আযাদ করার বিধান” এই হাদিসের মূল অনুসন্ধানযোগ্য বিষয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিজের অংশ আযাদ করলে সামর্থ্য থাকলে পুরো মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
  • অন্য শরীকের অধিকার ও গোলামের মুক্তি—দুটিই বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
  • সামর্থ্য না থাকলে নিজের অংশ পরিমাণ মুক্তির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন