৩১/৬. অধ্যায়ঃ

যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না

যৌথ দাসমুক্তিতে ন্যায্য মূল্য ও শরীকদের অধিকার

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৪০

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي مَمْلُوكٍ أُقِيمَ عَلَيْهِ قِيمَةَ الْعَدْلِ فَأَعْطَى شُرَكَاءَهُ حِصَصَهُمْ وَأُعْتِقَ عَلَيْهِ الْعَبْدُ وَإِلاَّ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ ‏"‏ ‏.‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: কোন ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত কৃতদাসের নিজের অংশ মুক্ত করলে তার সঠিক মূল্য নিরূপণ করতে হবে। অতঃপর সে অন্য শরীকদের অংশও পরিশোধ করবে এবং এর বিনিময়ে দাসটি আজাদ হবে। অন্যথায় তাকে যতটুকু আজাদ করা হয়েছে সে ততটুকুই আজাদ হবে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৪০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন কৃতদাসের নিজের অংশ মুক্ত করলে তার সঠিক মূল্য নিরূপণ করতে হবে। তারপর সে অন্য শরীকদের অংশ পরিশোধ করবে এবং এর বিনিময়ে দাসটি আযাদ হবে। আর যদি তা না হয়, তাহলে দাসের যতটুকু অংশ আযাদ করা হয়েছে, সে ততটুকুই আযাদ হবে। এখানে দাসমুক্তির সঙ্গে ন্যায্যতা, হিসাব এবং শরীকদের অধিকার পরিষ্কারভাবে এসেছে। একদিকে মুক্তির কাজকে উৎসাহিত করা হয়েছে, অন্যদিকে অন্য মালিকদের অংশের মূল্যও অবহেলা করা হয়নি। এই হাদিস যৌথ মালিকানা, আংশিক মুক্তি এবং পূর্ণ মুক্তির মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যৌথ দাসের মূল্য সঠিকভাবে নিরূপণ করা দরকার।
  • অন্য শরীকদের অংশ পরিশোধ করলে দাস পূর্ণ আযাদ হয়।
  • পরিশোধ না হলে মুক্তি যতটুকু হয়েছে, ততটুকুই কার্যকর থাকে।
  • দাসমুক্তির কাজেও ন্যায্য হিসাব ও অধিকার মানতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন