৩১/৪. অধ্যায়ঃ

কেউ শরীকানা গোলামের নিজ অংশ মুক্ত করলে

যৌথ দাসকে পূর্ণ মুক্ত করার দায়িত্ব

সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৩৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُوَيْدٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، بِإِسْنَادِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَعْتَقَ مَمْلُوكًا بَيْنَهُ وَبَيْنَ آخَرَ فَعَلَيْهِ خَلاَصُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَهَذَا لَفْظُ ابْنِ سُوَيْدٍ ‏.‏

ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন দাস হতে তার অংশ আযাদ করে দেয়, তার কর্তব্য হলো তাকে পূর্ণভাবে আযাদের ব্যবস্থা করা।

সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৩৯৩৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন দাসের নিজের অংশ আযাদ করে, যে তার ও অন্য কারও যৌথ মালিকানায় আছে, তার দায়িত্ব হলো তাকে পূর্ণভাবে মুক্ত করার ব্যবস্থা করা। হাদিসটি দাসমুক্তির ক্ষেত্রে অর্ধেক বা অংশবিশেষ অবস্থার সমস্যা তুলে ধরে। একজন মালিক নিজের অংশ ছেড়ে দিলে দাসের অবস্থা ঝুলে থাকতে পারে। তাই তাকে পুরোপুরি মুক্ত করার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। এতে দাসের কল্যাণ, অধিকার এবং মালিকানার হিসাব—সবই গুরুত্ব পায়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মুক্তির কাজ শুরু করলে তা পূর্ণ করার দায়িত্বও আসে। যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে মানতে হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যৌথ দাসের অংশ আযাদ করলে পূর্ণ মুক্তির ব্যবস্থা করতে হয়।
  • মুক্তির কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ার ঝুঁকি আছে।
  • দাসের অধিকার ও মালিকানার হিসাব দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।
  • ভালো কাজের সঙ্গে দায়িত্বও জড়িত থাকে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন