৩১/৪. অধ্যায়ঃ
কেউ শরীকানা গোলামের নিজ অংশ মুক্ত করলে
যৌথ দাসের অংশ আযাদ করলে বাকি মূল্য দেওয়ার শিক্ষা
সুনানে আবু দাউদ : ৩৯৩৪
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৩৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، أَعْتَقَ شِقْصًا لَهُ مِنْ غُلاَمٍ فَأَجَازَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِتْقَهُ وَغَرَّمَهُ بَقِيَّةَ ثَمَنِهِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত কৃতদাসের তার অংশ আযাদ করে দিলো। নবী (ﷺ) দাসত্বমুক্তির অনুমতি দিয়ে তাকে তার অবশিষ্ট অংশের মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বললেন।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৩৯৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন কৃতদাসের নিজের অংশ আযাদ করে দেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) দাসত্বমুক্তির অনুমতি দেন এবং তাকে অবশিষ্ট অংশের মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বলেন। এখানে মূল বিষয় হলো, কারও অংশ মুক্ত করে দিলেই অন্য শরীকদের অধিকার বাদ পড়ে না। দাসমুক্তির কাজ ভালো হলেও তা ন্যায্য হিসাবের সঙ্গে হতে হবে। অন্য মালিকদের অংশের মূল্য পরিশোধ করা তাদের অধিকার রক্ষার অংশ। তাই এই হাদিস দাসমুক্তি, যৌথ মালিকানা এবং ন্যায্য মূল্য পরিশোধের শিক্ষাকে একসঙ্গে তুলে ধরে। এতে দেখা যায়, ইসলাম মুক্তির পথ খুলে দেয়, আবার লেনদেনের অধিকারও অবহেলা করে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যৌথ দাসের নিজের অংশ আযাদ করলে বাকি অংশের হিসাব আসে।
- অন্য মালিকদের অধিকার উপেক্ষা করা যায় না।
- দাসমুক্তির কাজ ন্যায্য মূল্য পরিশোধের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
- মুক্তি ও লেনদেন—দুই দিকেই ভারসাম্য রাখা হয়েছে।
