৩১/৪. অধ্যায়ঃ
কেউ শরীকানা গোলামের নিজ অংশ মুক্ত করলে
যৌথ মালিকানার দাস মুক্তিতে নবীজির নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৯৩৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৩৩
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، - الْمَعْنَى - أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، - قَالَ أَبُو الْوَلِيدِ - عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلاً، أَعْتَقَ شِقْصًا لَهُ مِنْ غُلاَمٍ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " لَيْسَ لِلَّهِ شَرِيكٌ " . زَادَ ابْنُ كَثِيرٍ فِي حَدِيثِهِ فَأَجَازَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِتْقَهُ .
আবুল ওয়ালীদ (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন গোলামে তার অংশ মুক্ত করল। অতঃপর এ সংবাদ নবী (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন: আল্লাহর কোন শরীক নেই। ইবনু কাসীর (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরো রয়েছে: অতঃপর নবী (ﷺ) তাকে মুক্ত করার অনুমতি দিলেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন এক গোলামের নিজের অংশ মুক্ত করেন। বিষয়টি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে পৌঁছালে তিনি বলেন, আল্লাহর কোনো শরীক নেই। ইবনু কাসীর (রহঃ)-এর বর্ণনায় আরও আছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) তার মুক্তি অনুমোদন করেন। এখানে যৌথ মালিকানার দাসমুক্তির একটি প্রাথমিক ঘটনা এসেছে। দাসটি একাধিক মালিকের অধীনে ছিল, তাই একজনের অংশ মুক্ত করা পুরো বিষয়কে বিশেষ অবস্থায় নিয়ে যায়। নবীজির কথায় তাওহীদের স্মরণও আছে—আল্লাহর কোনো শরীক নেই। হাদিসটি যৌথ মালিকানা, অংশবিশেষ মুক্তি এবং দাসমুক্তির বিধান বোঝার দরজা খুলে দেয়। পরের বর্ণনাগুলোতে এর আরও বিস্তারিত বিধান এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যৌথ মালিকানার দাস মুক্তিতে আলাদা বিধান আছে।
- নিজের অংশ মুক্ত করলে বিষয়টি নবীজির কাছে পেশ করা হয়েছিল।
- আল্লাহর কোনো শরীক নেই—এই তাওহীদের কথা স্মরণ করানো হয়েছে।
- মুক্তির অনুমোদন বর্ণনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
