২৯/১৫. অধ্যায়ঃ
বদনযর লাগা সম্পর্কে
বদনজর লাগলে ওজুর পানির চিকিৎসা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৮৮০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৮০
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ يُؤْمَرُ الْعَائِنُ فَيَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَغْتَسِلُ مِنْهُ الْمَعِينُ .
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বদনজরকারীকে নির্দেশ দেওয়া হতো যেন সে ওজু করে এবং সেই পানি দিয়ে নজর লাগা ব্যক্তি বা বস্তু ধুয়ে নেয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, বদনজরকারীকে নির্দেশ দেওয়া হতো যেন সে ওজু করে, তারপর সেই পানি দিয়ে নজর লাগা ব্যক্তি বা বস্তু ধুয়ে নেয়। আগের হাদিসে বদনজর সত্য বলা হয়েছে, আর এখানে বদনজরের ক্ষেত্রে একটি করণীয় এসেছে। “বদনজরের চিকিৎসা”, “ওজুর পানি দিয়ে নজর কাটানো” এবং “নজর লাগলে কী করব” বিষয়ে এই বর্ণনাটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোনো জটিল আমল, তাবিজ বা অজানা পদ্ধতির কথা নেই; বরং বদনজরকারী ব্যক্তির ওজু এবং সেই পানি ব্যবহারের কথা এসেছে। হাদিসের ভাষা অনুযায়ী বুঝতে হবে: বদনজরকে সত্য বলা হয়েছে, এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একটি সহজ পদ্ধতির উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বদনজর লাগলে হাদিসে একটি নির্দিষ্ট করণীয় এসেছে।
- বদনজরকারীকে ওজু করতে বলা হতো।
- নজর লাগা ব্যক্তি বা বস্তু সেই পানি দিয়ে ধোয়ার কথা এসেছে।
- বদনজরের চিকিৎসায় কুসংস্কার নয়, হাদিসের নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
