২৯/৬. অধ্যায়ঃ
শিরা কেটে রক্তমোক্ষণ করা এবং রক্তমোক্ষণের স্থান
আঘাতের চিকিৎসায় হিজামা করার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৮৬৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৬৩
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم احْتَجَمَ عَلَى وَرِكِهِ مِنْ وَثْءٍ كَانَ بِهِ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ওরকে (কোমর বা ঊরের জোড়ার অংশে) আঘাত লাগার কারণে এর জন্য রক্তমোক্ষণ করান।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর ওরক বা কোমর-ঊরুর জোড়ার অংশে আঘাত লাগার কারণে সেখানে রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। এখানে হিজামা শুধু সাধারণ স্বাস্থ্যচর্চা হিসেবে নয়, বরং আঘাতজনিত সমস্যার চিকিৎসা হিসেবেও উল্লেখ হয়েছে। “আঘাতে হিজামা”, “রক্তমোক্ষণ চিকিৎসা” এবং “নবীজির চিকিৎসা পদ্ধতি” বিষয়ে এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসের মূল কথা হলো, শরীরে আঘাত বা কষ্ট হলে চিকিৎসা নেওয়া স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য। নবী صلى الله عليه وسلم নিজেও প্রয়োজন হলে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। তবে এই বর্ণনা থেকে প্রত্যেক আঘাতে একই চিকিৎসা জরুরি—এমন সাধারণ সিদ্ধান্ত করা ঠিক নয়। হাদিসে শুধু নির্দিষ্ট একটি ঘটনার কথা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শারীরিক আঘাত হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা বৈধ ও দরকারি হতে পারে।
- নবী صلى الله عليه وسلم প্রয়োজন হলে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।
- হিজামা তখনকার পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতির একটি ছিল।
- একটি নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
