২৮/২৬. অধ্যায়ঃ
ঘোড়ার গোশত খাওয়া সম্পর্কে
খচ্চর ও গাধার গোশত নিষেধ, ঘোড়ার নয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৮৯
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ ذَبَحْنَا يَوْمَ خَيْبَرَ الْخَيْلَ وَالْبِغَالَ وَالْحَمِيرَ فَنَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِغَالِ وَالْحَمِيرِ وَلَمْ يَنْهَنَا عَنِ الْخَيْلِ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
খায়বার বিজয়ের দিন আমরা ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা যবেহ করেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে খচ্চর ও গাধার গোশত খেতে বারণ করলেন, কিন্তু ঘোড়ার গোশত খেতে বারণ করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রা. খায়বারের দিনের একটি ঘটনা বলেন। সেদিন তারা ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা যবেহ করেছিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খচ্চর ও গাধার গোশত খেতে নিষেধ করলেন, কিন্তু ঘোড়ার গোশত খেতে নিষেধ করলেন না। তাই “খচ্চরের গোশত”, “গাধার গোশত” এবং “ঘোড়ার গোশত” বিষয়ে এই বর্ণনা আলাদা গুরুত্ব রাখে। এখানে অনুমতির ভাষা আগের হাদিসের মতো সরাসরি না হলেও, নিষেধ না করার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে এসেছে। খাবার নিয়ে ইসলামী নির্দেশ বোঝার সময় কোন প্রাণীর কথা বলা হয়েছে এবং কোনটির কথা বাদ রাখা হয়েছে—এ দুটোই মনোযোগ দিয়ে দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খচ্চর ও গাধার গোশত খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
- এই বর্ণনায় ঘোড়ার গোশত নিষেধ করা হয়নি।
- হাদিসের শব্দের পার্থক্য বুঝে বিধান আলোচনা করা দরকার।
