২৮/৫. অধ্যায়ঃ
মেহমানদারি সম্পর্কে
এক রাত মেহমানদারি: অতিথির হক ও মুসলিমের দায়িত্ব
সুনানে আবু দাউদ : ৩৭৫০
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৫০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَخَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي كَرِيمَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَيْلَةُ الضَّيْفِ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَصْبَحَ بِفِنَائِهِ فَهُوَ عَلَيْهِ دَيْنٌ إِنْ شَاءَ اقْتَضَى وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ " .
আবূ কারীম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এক রাত মেহমানদারি করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারি করা তার ওপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার ঋণ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।
সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৩৭৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এক রাত মেহমানদারির হক সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বলেন, এক রাত মেহমানদারি করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারি করা তার ওপর ঋণের মতো। সে চাইলে সেই ঋণ পরিশোধ করবে, অথবা মেহমান তা ত্যাগ করতে পারে। এখানে মেহমানের অধিকারকে খুব গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। ইসলামী সমাজে অতিথি অবহেলিত থাকবে না—এটাই এই শিক্ষার মূল দিক। তবে হাদিসের ভাষা থেকে এটাও বোঝা যায়, বিষয়টি অধিকার ও দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। মেহমানদারি শুধু সৌজন্য নয়; এটি সামাজিক দায়িত্বের একটি অংশ। একই সঙ্গে মেহমানও যদি ক্ষমা করে বা দাবি না করে, তা তার পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়া হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক রাত মেহমানদারি অতিথির গুরুত্বপূর্ণ হক হিসেবে এসেছে।
- স্বাগতিকের উচিত মেহমানের মৌলিক আপ্যায়ন করা।
- মেহমান তার হক দাবি করতে পারে বা ছেড়ে দিতে পারে।
- ইসলামে অতিথিকে অবহেলা করা পছন্দনীয় আচরণ নয়।
