২৭/১৯. অধ্যায়ঃ
পরিবেশনকারী কখন পান করবে
পানি পরিবেশনকারীর শেষে পান করার সুন্নাহ
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭২৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭২৫
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي الْمُخْتَارِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " سَاقِيَ الْقَوْمِ آخِرُهُمْ شُرْبًا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন: দলের পানি পরিবেশনকারী সবশেষে পান করবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, দলের পানি পরিবেশনকারী সবার শেষে পান করবে। বাক্যটি ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা খুব সুন্দর। যে ব্যক্তি অন্যদের পানি দেয়, সে নিজের আগে অন্যদের কথা ভাববে। এতে সেবা, ভদ্রতা এবং অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আদব শেখা যায়। পানি পরিবেশনকারীর আদব শুধু পানীয়ের নিয়ম নয়, বরং সামাজিক আচরণেরও শিক্ষা। একজন মুসলিম যখন খাবার বা পানীয় পরিবেশন করে, তখন সে নিজের সুবিধার আগে উপস্থিত লোকদের প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখতে পারে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, সাধারণ পানির মজলিসেও ইসলামের চরিত্র গঠনের শিক্ষা আছে। সবার শেষে পান করা বিনয় ও সেবার মনোভাব তৈরি করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যে পরিবেশন করে, সে অন্যদের আগে গুরুত্ব দেবে।
- খাবার-পানীয়ের মজলিসে ভদ্রতা রাখা জরুরি।
- সেবা করার মধ্যে বিনয় ও সুন্দর চরিত্রের শিক্ষা আছে।
- ছোট কাজের মধ্যেও ইসলামী আদব প্রকাশ পায়।
