২৭/৭. অধ্যায়ঃ
মদের পেয়ালা সম্পর্কে
পাত্র নয়, হালাল পানীয়ই মূল বিষয়
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭০০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭০০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ زِيَادِ بْنِ فَيَّاضٍ، عَنْ أَبِي عِيَاضٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الأَوْعِيَةَ الدُّبَّاءَ وَالْحَنْتَمَ وَالْمُزَفَّتَ وَالنَّقِيرَ فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ إِنَّهُ لاَ ظُرُوفَ لَنَا . فَقَالَ " اشْرَبُوا مَا حَلَّ " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত, নকীর ইত্যাদি পাত্রের কথা উল্লেখ করলেন (ব্যবহার করতে বারণ করলেন)। তখন এক বেদুঈন বলল, এছাড়া আমাদের অন্য কোন পাত্র নেই। যা হালাল তা পান করো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত ও নকীর পাত্রের কথা উল্লেখ করেন। তখন এক বেদুঈন বলল, আমাদের তো এগুলো ছাড়া অন্য পাত্র নেই। উত্তরে নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, যা হালাল তা পান করো। হাদিসটি পাত্রের বিধানের সঙ্গে হালাল পানীয়ের মূল নীতিকে সামনে আনে। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পাত্রের আলোচনা থাকলেও পানীয়ের হালাল হওয়া প্রধান বিষয়। যদি পানীয় নেশাকারী বা হারাম না হয়, তাহলে হালাল পানীয় পান করা যাবে। তবে এই হাদিসকে নেশাকারী পানীয়ের অনুমতি হিসেবে নেওয়া যাবে না; কারণ একই ধারার বর্ণনায় নেশা সৃষ্টিকারী সব পানীয় হারাম বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রয়োজনের অবস্থায় মানুষের বাস্তব সমস্যা বিবেচনায় এসেছে।
- পানীয়ের ক্ষেত্রে হালাল হওয়া মূল শর্ত।
- পাত্রের আলোচনা মাদকের নিষেধকে বাতিল করে না।
