২৭/৫. অধ্যায়ঃ

নেশা উদ্রেককারী প্রতিটি জিনিস হারাম

নেশা ও অবসন্নকারী বস্তু ব্যবহারের নিষেধ

সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৮৬

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيِّ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كُلِّ مُسْكِرٍ وَمُفَتِّرٍ ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নেশা সৃষ্টিকারী সর্ব ধরনের বস্তু এবং অবসন্নকারী বস্তুর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন।

দুর্বলঃ যঈফাহ (৪৭৩২), মিশকাত (৩৬৫০)।[৩৬৮৬] আহমাদ, বায়হাক্বী। সানাদে শাহর ইবনু হাওশাব সমালোচিত।

সুনানে আবু দাউদ হাদিস ৩৬৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم নেশা সৃষ্টিকারী সব ধরনের বস্তু এবং অবসন্নকারী বস্তুর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। এখানে শুধু পানীয়ের কথা নয়; এমন বস্তুর কথাও এসেছে যা মানুষকে দুর্বল, ঢিলে বা অবসন্ন করে দিতে পারে। তাই হাদিসের কোর টপিক হলো মাদক ও অবসন্নকারী বস্তু থেকে বেঁচে থাকা। একজন মুসলিমের শরীর, মন ও বিবেক আল্লাহর আমানত। যে বস্তু নেশা এনে বিবেককে ঢেকে দেয় বা শরীরকে অস্বাভাবিকভাবে অবসন্ন করে, তা থেকে সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসটি ছোট হলেও এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার—নিজেকে এমন জিনিসের কাছে সঁপে দেওয়া যাবে না, যা সচেতনতা ও স্বাভাবিক অবস্থাকে নষ্ট করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নেশা সৃষ্টিকারী সব ধরনের বস্তু থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • অবসন্নকারী বস্তুও নিষিদ্ধ বিষয়ের মধ্যে এসেছে।
  • নিজের বিবেক ও স্বাভাবিক অবস্থাকে রক্ষা করা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন