২৬/৩. অধ্যায়ঃ
জ্ঞানের কথা লিখে রাখা
তাশাহুদ ও কুরআন লেখার বিষয়ে সাহাবীর বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৪৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৪৮
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، عَنِ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ مَا كُنَّا نَكْتُبُ غَيْرَ التَّشَهُّدِ وَالْقُرْآنِ .
আবূ সাইদ আল-খুদরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা তাশাহুদ ও কুরআন ছাড়া আর কিছু লিখতাম না।
[৩৬৪৮] আবূ দাউদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এর সানাদে খালিদ আল-হাজ্জা ইরসাল করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, তারা তাশাহুদ ও কুরআন ছাড়া অন্য কিছু লিখতেন না। বর্ণনাটি ছোট হলেও এতে সেই সময়ের লেখার বিষয়ে সতর্কতা বোঝা যায়। কুরআন ছিল প্রধান লিখিত বিষয়, আর তাশাহুদের মতো নামাজের প্রয়োজনীয় অংশও লেখা হতো। হাদিস লেখা নিয়ে এই অধ্যায়ের অন্য বর্ণনাগুলোর সঙ্গে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। এখানে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়; সরাসরি টেক্সট থেকে এতটুকু বোঝা যায় যে, কিছু সাহাবী নির্দিষ্ট বিষয় ছাড়া অন্য কিছু না লেখার অভ্যাস বা নিয়ম অনুসরণ করতেন। দ্বীনি জ্ঞান সংরক্ষণে সতর্কতা, কুরআনের মর্যাদা এবং নামাজের গুরুত্বপূর্ণ দোয়া মনে রাখার গুরুত্ব এতে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন লেখাকে সাহাবীরা বিশেষ গুরুত্ব দিতেন।
- তাশাহুদের মতো নামাজের গুরুত্বপূর্ণ পাঠ সংরক্ষণ করা হতো।
- দ্বীনি বিষয় লিখতে সাহাবীদের মধ্যে সতর্কতা ছিল।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও জ্ঞান সংরক্ষণের আদব শেখায়।
