২৫/১৬. অধ্যায়ঃ

যার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়

সাক্ষ্যের যোগ্যতা: সততা ও হিংসামুক্ত মন

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬০১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ طَارِقٍ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ الْخُزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، بِإِسْنَادِهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ خَائِنٍ وَلاَ خَائِنَةٍ وَلاَ زَانٍ وَلاَ زَانِيَةٍ وَلاَ ذِي غِمْرٍ عَلَى أَخِيهِ ‏"‏ ‏.‏

সুলাইমান ইবনু মূসা হতে ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ)-এর মাধ্যমে তার পিতার সূত্র হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: খেয়ানতকারী ও খেয়ানতকারিণী, ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী এবং কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রতি হিংসা পোষণকারীর সাক্ষ্য বৈধ নয়।

[৩৬০১] বায়হাক্বী ।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬০১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাক্ষ্যের যোগ্যতা নিয়ে স্পষ্ট শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, খেয়ানতকারী পুরুষ বা নারী, ব্যভিচারী পুরুষ বা নারী এবং মুসলিম ভাইয়ের প্রতি হিংসা পোষণকারীর সাক্ষ্য বৈধ নয়। এখানে মূল বিষয় হলো সাক্ষ্য শুধু মুখের কথা নয়; সাক্ষীর চরিত্র, আমানতদারি ও অন্তরের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। আদালত বা বিচার ব্যবস্থায় সত্য সাক্ষ্য ন্যায় প্রতিষ্ঠার বড় মাধ্যম। তাই যে ব্যক্তি খেয়ানত করে, প্রকাশ্য পাপে জড়ায় বা কারও প্রতি বিদ্বেষ রাখে, তার কথায় পক্ষপাত বা অসততার আশঙ্কা থাকে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সাক্ষ্য দেওয়ার আগে নিজের সততা, ন্যায়বোধ এবং মানুষের প্রতি হিংসামুক্ত অবস্থান জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সাক্ষ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সততা ও আমানতদারি বড় শর্ত।
  • খেয়ানত ও হিংসা মানুষের কথার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে।
  • ন্যায়বিচারে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ বা পক্ষপাত রাখা উচিত নয়।
  • মুসলিম ভাইয়ের প্রতি হিংসা রাখা গুরুতর নৈতিক সমস্যা।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন