২৫/৭. অধ্যায়ঃ

বিচারক যদি ভুল সিদ্ধান্ত দেন

নববী সিদ্ধান্ত ও মানুষের রায়ের পার্থক্য

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৫৮৬

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، - رضى الله عنه - قَالَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ الرَّأْىَ إِنَّمَا كَانَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُصِيبًا لأَنَّ اللَّهَ كَانَ يُرِيهِ وَإِنَّمَا هُوَ مِنَّا الظَّنُّ وَالتَّكَلُّفُ ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদা উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে জনসমাজ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নির্ভুল। কেননা মহান আল্লাহ তাঁকে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছিয়ে দিতেন। কিন্তু আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে ধারণা ও শ্রমের পর্যায়ভুক্ত।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে মানুষের সামনে একটি বড় নীতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নির্ভুল ছিল, কারণ মহান আল্লাহ তাঁকে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছিয়ে দিতেন। কিন্তু আমাদের সিদ্ধান্ত ধারণা ও শ্রমের পর্যায়ে থাকে। এই কথায় বিচার ও রায়ের ক্ষেত্রে বিনয় শেখানো হয়েছে। মানুষের বিচার, মতামত ও সিদ্ধান্তে চেষ্টা থাকে, কিন্তু তা নববী সিদ্ধান্তের মতো নিশ্চিত মর্যাদার নয়। তাই বিচারক, সালিশকারী বা মতদাতা—সবার উচিত নিজের রায়কে সীমাবদ্ধ মনে করা, আল্লাহকে ভয় করা এবং যতটা সম্ভব সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সিদ্ধান্ত আল্লাহর হিদায়াতে প্রতিষ্ঠিত ছিল।
  • মানুষের সিদ্ধান্ত চেষ্টা ও ধারণার সীমার মধ্যে থাকে।
  • রায় দেওয়ার সময় অহংকার নয়, বিনয় দরকার।
  • বিচার ও সিদ্ধান্তে সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন